সবচেয়ে মারাত্নক ৭ খাবার!

সারা বিশ্বে কত রকমে খাবার রয়েছে। এর মধ্যে সুস্বাদু খাবারের সংখ্যা বেশি। মজার ব্যাপার হলো এতসব সুস্বাদু খাবারের ভিড়ে কিছু বিপজ্জনক খাবার আছে যা খাদ্যপ্রেমীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। এই খাবারগুলো শুধু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর না কিন্তু নয়, অনেক সময় এইগুলো মৃত্যু এর জন্য দায়ী হতে পারে। আজ আপনাদেরকে এমন কিছু খাবার যা জনপ্রিয় কিন্তু বিপদজনক পরিচয় করিয়ে দেব।

১। কাসু মারজু

পনির খেতে পছন্দ করেন? পনির যতই পছন্দ করেন না কেনো, এই চিজ খাওয়ার আগে চিন্তা করবেন। কাসু মারজু পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর চিজ মনে করা হয়।ভেড়ার দুধ দিয়ে তৈরি হয়ে চিজটি উন্মুক্ত স্থানে রাখা হয়, মাছি ডিম পারার জন্য! মাছির ডিম সহ এটিকে ফারমেনটেশন করা হয়। বর্তমানে এটি নিষিধ করা হলেও ইটালির কিছু কিছু এলাকায় এটি এখনো প্রচলিত আছে।

২। সান্নাকজি বা বাচ্চা অক্টোপাস

কোরিয়া যে খাবারটি বিপদজ্জনক খাবারে তালিকায় রয়েছে তা হলো অক্টোপাসের বাচ্চা। তারা বাচ্চা অক্টোপাস কাঁচা অবস্থায় খেয়ে থাকেন। বাচ্চা অক্টোপাসের পায়ে এক ধরণের বিষাক্ত উপাদান থাকে,যা গলায় জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে থাকে। সব থেকে ভয়াবহ ব্যাপার এই যে জীবিত অবস্থায় এই অক্টোপাসগুলো খাওয়া হয়। বিপদজনক এই খাবারটি খাওয়ার সময় সামান্য অসাবধানতায় মারা যেতে পারেন যে কেউ।

৩। ব্লাড ক্লামস অথবা রক্ত ঝিনুক

রক্তের ঝিনুক মেক্সিকো উপসাগর, আটলান্টিক এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চাষ করা হয়। এই ধরণের ঝিনুক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এর রক্তে থাকা ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া যা হেপাটাইটিস বি, টাইফয়েড মত রোগের জীবাণু বহন করে থাকে।

৪। আকী

আকী হচ্ছে জামাইকার জাতীয় ফল। এটি দেখতে নাশপাতির মত। আকী অত্যন্ত সুস্বাদু একটি ফল হিসেবে পুরো বিশ্বে পরিচিত। কিন্তু এই অতি সুস্বাদু ফলটিও হতে পারে মৃত্যুর কারণ, যদি না একে সঠিক উপায়ে খাওয়া হয়। কাঁচা কিংবা আধপাকা আকী খাওয়ার কারণে মৃত্যু হতে পারে যেকারোর। আকী ফলের বিষাক্ত কালো বিচি বমি ও হৃদরোগের কারণ হয়ে দাড়ায়।

৫। কাসাভা

দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা এবং এশিয়ার কিছু দেশে এটি চিপস এবং কেক তৈরিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বিষাক্ত পদার্থ লিনামারনিন নামক উপাদান থাকে কাঁচা কাসাভাতে। এটি খাওয়ার সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হল এটি খোসা ছড়িয়ে সিদ্ধ করে খাওয়া।

৬। হাকারল

সবচেয়ে বাজে স্বাদের খাবারগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। হাকারল হাঙরের একটি প্রজাতি। কিডনিবিহীন এই মাছটি গ্রিনল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলোর মধ্যে একটি। কিডনি না থাকার কারণে শরীরের সব বর্জ্য পর্দাথ মাছের ত্বকে জমা হয়। সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করা না হলে এটি যে কারোর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। সাধারণত এই মাছ রান্না করা আগে ছয় মাস রোদ শুকানো হয়।

৭। ফুগু

এক ধরণের পটকা মাছ, জাপানে এটি ফুগু ফিস নামে পরিচিত। এই মাছটি সঠিকভাবে নিয়মে রান্না করা না হলে মৃত্যুর কারণ হতে পারে। এই মাছে টিট্রোডোটক্সিন নামক উপাদান আছে যা ১২০০ এরচেয়ে বেশি বিষাক্ত পদার্থ থেকেও বেশি ক্ষতিকর!

সবচেয়ে মারাত্নক ৭ খাবার!

সারা বিশ্বে কত রকমে খাবার রয়েছে। এর মধ্যে সুস্বাদু খাবারের সংখ্যা বেশি। মজার ব্যাপার হলো এতসব সুস্বাদু খাবারের ভিড়ে কিছু বিপজ্জনক খাবার আছে যা খাদ্যপ্রেমীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। এই খাবারগুলো শুধু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর না কিন্তু নয়, অনেক সময় এইগুলো মৃত্যু এর জন্য দায়ী হতে পারে। আজ আপনাদেরকে এমন কিছু খাবার যা জনপ্রিয় কিন্তু বিপদজনক পরিচয় করিয়ে দেব।

১। কাসু মারজু

পনির খেতে পছন্দ করেন? পনির যতই পছন্দ করেন না কেনো, এই চিজ খাওয়ার আগে চিন্তা করবেন। কাসু মারজু পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর চিজ মনে করা হয়।ভেড়ার দুধ দিয়ে তৈরি হয়ে চিজটি উন্মুক্ত স্থানে রাখা হয়, মাছি ডিম পারার জন্য! মাছির ডিম সহ এটিকে ফারমেনটেশন করা হয়। বর্তমানে এটি নিষিধ করা হলেও ইটালির কিছু কিছু এলাকায় এটি এখনো প্রচলিত আছে।

২। সান্নাকজি বা বাচ্চা অক্টোপাস

কোরিয়া যে খাবারটি বিপদজ্জনক খাবারে তালিকায় রয়েছে তা হলো অক্টোপাসের বাচ্চা। তারা বাচ্চা অক্টোপাস কাঁচা অবস্থায় খেয়ে থাকেন। বাচ্চা অক্টোপাসের পায়ে এক ধরণের বিষাক্ত উপাদান থাকে,যা গলায় জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে থাকে। সব থেকে ভয়াবহ ব্যাপার এই যে জীবিত অবস্থায় এই অক্টোপাসগুলো খাওয়া হয়। বিপদজনক এই খাবারটি খাওয়ার সময় সামান্য অসাবধানতায় মারা যেতে পারেন যে কেউ।

৩। ব্লাড ক্লামস অথবা রক্ত ঝিনুক

রক্তের ঝিনুক মেক্সিকো উপসাগর, আটলান্টিক এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চাষ করা হয়। এই ধরণের ঝিনুক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এর রক্তে থাকা ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া যা হেপাটাইটিস বি, টাইফয়েড মত রোগের জীবাণু বহন করে থাকে।

৪। আকী

আকী হচ্ছে জামাইকার জাতীয় ফল। এটি দেখতে নাশপাতির মত। আকী অত্যন্ত সুস্বাদু একটি ফল হিসেবে পুরো বিশ্বে পরিচিত। কিন্তু এই অতি সুস্বাদু ফলটিও হতে পারে মৃত্যুর কারণ, যদি না একে সঠিক উপায়ে খাওয়া হয়। কাঁচা কিংবা আধপাকা আকী খাওয়ার কারণে মৃত্যু হতে পারে যেকারোর। আকী ফলের বিষাক্ত কালো বিচি বমি ও হৃদরোগের কারণ হয়ে দাড়ায়।

৫। কাসাভা

দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা এবং এশিয়ার কিছু দেশে এটি চিপস এবং কেক তৈরিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বিষাক্ত পদার্থ লিনামারনিন নামক উপাদান থাকে কাঁচা কাসাভাতে। এটি খাওয়ার সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হল এটি খোসা ছড়িয়ে সিদ্ধ করে খাওয়া।

৬। হাকারল

সবচেয়ে বাজে স্বাদের খাবারগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। হাকারল হাঙরের একটি প্রজাতি। কিডনিবিহীন এই মাছটি গ্রিনল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলোর মধ্যে একটি। কিডনি না থাকার কারণে শরীরের সব বর্জ্য পর্দাথ মাছের ত্বকে জমা হয়। সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করা না হলে এটি যে কারোর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। সাধারণত এই মাছ রান্না করা আগে ছয় মাস রোদ শুকানো হয়।

৭। ফুগু

এক ধরণের পটকা মাছ, জাপানে এটি ফুগু ফিস নামে পরিচিত। এই মাছটি সঠিকভাবে নিয়মে রান্না করা না হলে মৃত্যুর কারণ হতে পারে। এই মাছে টিট্রোডোটক্সিন নামক উপাদান আছে যা ১২০০ এরচেয়ে বেশি বিষাক্ত পদার্থ থেকেও বেশি ক্ষতিকর!

Leave a Reply

© Copyright 2014-2018, All Rights Reserved ||| Powered By AnyNews24.Com || Developer By Abir-Group

%d bloggers like this:
www.scriptsell.net