শ্রীলঙ্কায় রোহিঙ্গাদের উপর হামলা

কলম্বো, ২৭ সেপ্টেম্বর- পাঁচ মাস আগে সমুদ্র থেকে উদ্ধার হয়ে শ্রীলঙ্কায় আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের উপর হামলা চালিয়েছে দেশটির চরমপন্থি বৌদ্ধ ভিক্ষুরা। 

গতকাল মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর কাছে এক শরণার্থী শিবিরে হামলার এই ঘটনা ঘটে।

কলম্বো পুলিশ বলছে, শহরতলীর মাউন্ট লাভিনিয়া এলাকার দেয়ালঘেরা এক বহুতল ভবন, যেখানে উদ্ধারকৃত ৩১ শরণার্থীদের রাখা হয়েছে, সেখানে হঠাৎ করেই একদল গেরুয়াধারী বৌদ্ধ হামলা চালায়।

এই রোহিঙ্গাদের ‘অবৈধ অভিবাসী’ দাবি করে তাদেরকে বন্দি শিবিরে পাঠানোর দাবিতে বৌদ্ধ চরমপন্থিরা এই হামলা চালিয়েছে বলে এএফপিকে জানিয়েছেন পুলিশ মুখপাত্র এসপি রুয়ান গুনাসেকারা।

হামলার পর পুলিশ এই রোহিঙ্গাদের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বুসায় বন্দিশিবিরে সরিয়ে নেয়, যেখানে সাধারণত সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের রাখা হয়।

হামলায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও দুজন পুলিশ আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

চলতি বছরের মে মাসে সাগরে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এই ৩১ রোহিঙ্গাকে, যাদের মধ্যে রয়েছে ১৬ শিশ ও ৭ নারী। তখন থেকেই তাদেরকে জাতিসংঘের সেইফ হাউজে রাখা হলেও এনিয়ে বিরোধিতা করে আসছে বৌদ্ধ প্রধান দেশটির চরমপন্থি সংগঠনগুলো।

এদের মধ্যে একটি চরমপন্থি সংগঠন সিনহালে জাতিকা বালামুলুওয়ার ফেইসবুক প্রোফাইলে হামলাকারী বৌদ্ধদের একজন একটি ভিডিও আপলোড করেছেন, যেখানে তাকে বলতে শোনা গেছে ‘এই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা মিয়ানমারে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের হত্যা করেছে’।

শ্রীলঙ্কায় রোহিঙ্গাদের উপর হামলা

কলম্বো, ২৭ সেপ্টেম্বর- পাঁচ মাস আগে সমুদ্র থেকে উদ্ধার হয়ে শ্রীলঙ্কায় আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের উপর হামলা চালিয়েছে দেশটির চরমপন্থি বৌদ্ধ ভিক্ষুরা। 

গতকাল মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর কাছে এক শরণার্থী শিবিরে হামলার এই ঘটনা ঘটে।

কলম্বো পুলিশ বলছে, শহরতলীর মাউন্ট লাভিনিয়া এলাকার দেয়ালঘেরা এক বহুতল ভবন, যেখানে উদ্ধারকৃত ৩১ শরণার্থীদের রাখা হয়েছে, সেখানে হঠাৎ করেই একদল গেরুয়াধারী বৌদ্ধ হামলা চালায়।

এই রোহিঙ্গাদের ‘অবৈধ অভিবাসী’ দাবি করে তাদেরকে বন্দি শিবিরে পাঠানোর দাবিতে বৌদ্ধ চরমপন্থিরা এই হামলা চালিয়েছে বলে এএফপিকে জানিয়েছেন পুলিশ মুখপাত্র এসপি রুয়ান গুনাসেকারা।

হামলার পর পুলিশ এই রোহিঙ্গাদের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বুসায় বন্দিশিবিরে সরিয়ে নেয়, যেখানে সাধারণত সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের রাখা হয়।

হামলায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও দুজন পুলিশ আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

চলতি বছরের মে মাসে সাগরে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এই ৩১ রোহিঙ্গাকে, যাদের মধ্যে রয়েছে ১৬ শিশ ও ৭ নারী। তখন থেকেই তাদেরকে জাতিসংঘের সেইফ হাউজে রাখা হলেও এনিয়ে বিরোধিতা করে আসছে বৌদ্ধ প্রধান দেশটির চরমপন্থি সংগঠনগুলো।

এদের মধ্যে একটি চরমপন্থি সংগঠন সিনহালে জাতিকা বালামুলুওয়ার ফেইসবুক প্রোফাইলে হামলাকারী বৌদ্ধদের একজন একটি ভিডিও আপলোড করেছেন, যেখানে তাকে বলতে শোনা গেছে ‘এই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা মিয়ানমারে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের হত্যা করেছে’।

© Copyright 2014-2018, All Rights Reserved ||| Powered By AnyNews24.Com || Developer By Abir-Group

%d bloggers like this:
www.scriptsell.net