মোনালিসার নগ্ন একটি চিত্রকর্ম প্যারিসের শিল্প সংগ্রহশালা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। কাঠ-কয়লা দিয়ে আঁকা ১৫০ বছরের বেশি সময় আগের নগ্ন এ চিত্রকর্ম নিয়ে ধন্দে পড়েছেন চিত্রশিল্প বিশেষজ্ঞরা। ছবি: এএফপিইতালীয় চিত্রশিল্পী লেওনার্দো দা ভিঞ্চির বিখ্যাত চিত্রকর্ম মোনালিসা নিয়ে যেন রহস্যের শেষ নেই। কেউ কেউ বলে থাকেন, মোনালিসা শিল্পীর কল্পিত কোনো মানুষ। আবার কারও কারও দাবি, বাস্তবে মোনালিসা নামে কেউ একজন ছিলেন; যাঁকে দেখেই লেওনার্দো চিত্রকর্মটি করেছেন।

এবার সেই জগদ্বিখ্যাত মোনালিসার নগ্ন একটি স্কেচ (চিত্রকর্ম) ফ্রান্সের প্যারিসের একটি শিল্প সংগ্রহশালা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। কাঠ-কয়লা দিয়ে আঁকা ১৫০ বছরের বেশি সময় আগের নগ্ন এই চিত্রকর্ম নিয়ে ধন্দে পড়ে গেছেন চিত্রশিল্প বিশেষজ্ঞরা।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মোনা ভানা নামে পরিচিত চিত্রকর্মটি একসময় লেওনার্দো দা ভিঞ্চির (১৪৫২-১৫১৯) স্টুডিওতে ছিল। এর সঙ্গে মোনালিসার দেহাবয়বের অনেক মিল খুঁজে পাওয়ায় একে মোনালিসারই চিত্রকর্ম বলে দাবি করেছেন এক ফরাসি শিল্পবিশেষজ্ঞ।

চিত্রকর্মটি প্যারিসের লুভর জাদুঘরে নিয়ে পরীক্ষার পর কিউরেটররা ধারণা করছেন, এর কিছুটা হলেও লেওনার্দোর আঁকা। অথচ দেড় শ বছর ধরে ভাবা হতো এটি ভিঞ্চির স্টুডিওর কোনো শিক্ষানবিশ শিল্পীর আঁকা একটি চিত্রকর্ম মাত্র। ১৮৬২ সাল থেকে প্যারিসের উত্তরের শ্যান্তিলে প্রাসাদে অবস্থিত কনডে জাদুঘরে রেনেসাঁস যুগের শিল্প সংগ্রহশালার মধ্যে পড়ে ছিল এটি।

লেওনার্দো দা ভিঞ্চি ছিলেন ইতালীয় রেনেসাঁসের কালজয়ী চিত্রশিল্পী। তেলরঙে আঁকা তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘মোনালিসা’ তাঁকে পৃথিবীর সেরা চিত্রশিল্পীর মর্যাদা দেয়।

জাদুঘরটির কিউরেটর ম্যাথিউ দেলদিকে এএফপিকে বলেন, স্কেচটি যে লেওনার্দো দা ভিঞ্চির নিজের করা, এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট প্রমাণ পেয়েছেন তাঁরা। তিনি বলেন, ‘যেভাবে এই স্কেচটিতে মুখ ও হাতের অংশটি আঁকা হয়েছে, তা সত্যিই বিস্ময়কর। এটা অবশ্যই কোনো সাধারণ চিত্রকর্ম নয়। আমরা এমন কিছু একটা দেখতে চলেছি, যা মোনালিসা আঁকার সময়ই তৈরি হয়েছিল। ছবিটি আঁকা হয়েছে ভিঞ্চির জীবনের শেষ ভাগে। তবে এটি দেখে মনে হয় মূল চিত্রকর্মটি আঁকার প্রস্তুতি হিসেবে ভিঞ্চি এই স্কেচটি এঁকেছিলেন।’ যত দূর সম্ভব তৈলচিত্রের জন্য এটি প্রস্তুতিমূলক একটি কাজ বলেও মনে করেন ম্যাথিউ।

যেসব বৈশিষ্ট্য দেখে চিত্রকর্মটি মোনালিসার, ম্যাথিউর মতে তা হলো—
হাত দুটি এবং শরীর প্রায় অভিন্ন
চিত্রকর্মটি প্রায় একই আকারের
*দেহের চারপাশের অবয়ব এক, যা একই ক্যানভাসকে চিহ্নিত করে

লুভর জাদুঘরের সংরক্ষণবিশেষজ্ঞ ব্রুনো মাতিন নিশ্চিত করে বলেন, চিত্রকর্মটি ষোড়শ শতাব্দীর গোড়ার দিকে লেওনার্দোর সময়কালের। অনেক উন্নত মানের চিত্রকর্ম এটি।

এদিকে টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘টপলেস মোনালিসা’র পেছনের কারিগর সম্ভবত ইতালীয় শিল্পী লেওনার্দো দ্য ভিঞ্চি।

মোনালিসার নগ্ন একটি চিত্রকর্ম প্যারিসের শিল্প সংগ্রহশালা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। কাঠ-কয়লা দিয়ে আঁকা ১৫০ বছরের বেশি সময় আগের নগ্ন এ চিত্রকর্ম নিয়ে ধন্দে পড়েছেন চিত্রশিল্প বিশেষজ্ঞরা। ছবি: এএফপিইতালীয় চিত্রশিল্পী লেওনার্দো দা ভিঞ্চির বিখ্যাত চিত্রকর্ম মোনালিসা নিয়ে যেন রহস্যের শেষ নেই। কেউ কেউ বলে থাকেন, মোনালিসা শিল্পীর কল্পিত কোনো মানুষ। আবার কারও কারও দাবি, বাস্তবে মোনালিসা নামে কেউ একজন ছিলেন; যাঁকে দেখেই লেওনার্দো চিত্রকর্মটি করেছেন।

এবার সেই জগদ্বিখ্যাত মোনালিসার নগ্ন একটি স্কেচ (চিত্রকর্ম) ফ্রান্সের প্যারিসের একটি শিল্প সংগ্রহশালা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। কাঠ-কয়লা দিয়ে আঁকা ১৫০ বছরের বেশি সময় আগের নগ্ন এই চিত্রকর্ম নিয়ে ধন্দে পড়ে গেছেন চিত্রশিল্প বিশেষজ্ঞরা।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মোনা ভানা নামে পরিচিত চিত্রকর্মটি একসময় লেওনার্দো দা ভিঞ্চির (১৪৫২-১৫১৯) স্টুডিওতে ছিল। এর সঙ্গে মোনালিসার দেহাবয়বের অনেক মিল খুঁজে পাওয়ায় একে মোনালিসারই চিত্রকর্ম বলে দাবি করেছেন এক ফরাসি শিল্পবিশেষজ্ঞ।

চিত্রকর্মটি প্যারিসের লুভর জাদুঘরে নিয়ে পরীক্ষার পর কিউরেটররা ধারণা করছেন, এর কিছুটা হলেও লেওনার্দোর আঁকা। অথচ দেড় শ বছর ধরে ভাবা হতো এটি ভিঞ্চির স্টুডিওর কোনো শিক্ষানবিশ শিল্পীর আঁকা একটি চিত্রকর্ম মাত্র। ১৮৬২ সাল থেকে প্যারিসের উত্তরের শ্যান্তিলে প্রাসাদে অবস্থিত কনডে জাদুঘরে রেনেসাঁস যুগের শিল্প সংগ্রহশালার মধ্যে পড়ে ছিল এটি।

লেওনার্দো দা ভিঞ্চি ছিলেন ইতালীয় রেনেসাঁসের কালজয়ী চিত্রশিল্পী। তেলরঙে আঁকা তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘মোনালিসা’ তাঁকে পৃথিবীর সেরা চিত্রশিল্পীর মর্যাদা দেয়।

জাদুঘরটির কিউরেটর ম্যাথিউ দেলদিকে এএফপিকে বলেন, স্কেচটি যে লেওনার্দো দা ভিঞ্চির নিজের করা, এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট প্রমাণ পেয়েছেন তাঁরা। তিনি বলেন, ‘যেভাবে এই স্কেচটিতে মুখ ও হাতের অংশটি আঁকা হয়েছে, তা সত্যিই বিস্ময়কর। এটা অবশ্যই কোনো সাধারণ চিত্রকর্ম নয়। আমরা এমন কিছু একটা দেখতে চলেছি, যা মোনালিসা আঁকার সময়ই তৈরি হয়েছিল। ছবিটি আঁকা হয়েছে ভিঞ্চির জীবনের শেষ ভাগে। তবে এটি দেখে মনে হয় মূল চিত্রকর্মটি আঁকার প্রস্তুতি হিসেবে ভিঞ্চি এই স্কেচটি এঁকেছিলেন।’ যত দূর সম্ভব তৈলচিত্রের জন্য এটি প্রস্তুতিমূলক একটি কাজ বলেও মনে করেন ম্যাথিউ।

যেসব বৈশিষ্ট্য দেখে চিত্রকর্মটি মোনালিসার, ম্যাথিউর মতে তা হলো—
হাত দুটি এবং শরীর প্রায় অভিন্ন
চিত্রকর্মটি প্রায় একই আকারের
*দেহের চারপাশের অবয়ব এক, যা একই ক্যানভাসকে চিহ্নিত করে

লুভর জাদুঘরের সংরক্ষণবিশেষজ্ঞ ব্রুনো মাতিন নিশ্চিত করে বলেন, চিত্রকর্মটি ষোড়শ শতাব্দীর গোড়ার দিকে লেওনার্দোর সময়কালের। অনেক উন্নত মানের চিত্রকর্ম এটি।

এদিকে টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘টপলেস মোনালিসা’র পেছনের কারিগর সম্ভবত ইতালীয় শিল্পী লেওনার্দো দ্য ভিঞ্চি।

© Copyright 2014-2018, All Rights Reserved ||| Powered By AnyNews24.Com || Developer By Abir-Group

%d bloggers like this:
www.scriptsell.net