মেধাবী ছাত্র থেকে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা কাজী মারুফ

যখন বাংলাদেশে মান্নাকেন্দ্রিক অ্যাকশন ছবির রমরমা বাণিজ্য, সে সময় পিতা কাজী হায়াৎ এর হাত ধরে চলচ্চিত্রে আসেন কাজী মারুফ। খুব অল্প সময়েই বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই অভিনেতা। বাবা প্রখ্যাত পরিচালক কাজী হায়াৎ এর মাধ্যমে চলচ্চিত্রে এসে তারই পরিচালনায় করা ছবি ‘ইতিহাস’ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

উইলস লিটল ফ্লাওয়ার থেকে ‘ও লেভেল’ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মারুফ ‘এ লেভেল’ সম্পন্ন করেন মাস্টার মাইন্ড থেকে। ২০০১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তারিখে একই দিনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন। সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ওরিয়েন্টেশন শেষ করে বিকেল ৫টায় এফডিসির ১ নম্বর ফ্লোরে ‘ইতিহাস’ চলচ্চিত্রের মহরতের মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে লন্ডন স্কুল অব কমার্স থেকে ব্যবসায় শিক্ষায় স্নাতক সম্পন্ন করেন কাজী মারুফ।

অ্যাকশন ঘরানার চলচ্চিত্রের অভিনেতা কাজী মারুফ তার চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন ইতিহাস ছবির মাধ্যমে। কাজী হায়াৎ পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ২০০২ সালে। প্রথম ছবিতেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতে নেন কাজী মারুফ।

কাজী মারুফ সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের পাশাপাশি বিকল্পধারার চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেছেন।

দেহরক্ষী ছবিতে নাম ভূমিকায়, আনিসুর রহমান মিলন এবং ববির পাশাপাশি দুর্দান্ত অভিনয় করেন। তবে ‘ইভটিজিং’ ছবিতে তার কাশেম চরিত্রটি দর্শকপ্রিয়তা পায়। ২০১৪ সালে তিনি কাজী হায়াৎ পরিচালিত সর্বনাশা ইয়াবা ছবিতে কাজ করছেন।২০১৫ সালে অভিনয় করেছেন মাল্টিমিডিয়া ফিল্ম প্রোডাকশন প্রযোজিত ছিন্নমূল ছায়াছবিতে। এতে তার নায়িকা লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার অরিন। এ ছাড়াও মোস্তাফিজুর রহমান বাবু পরিচালিত বিধ্বস্ত ও ফিরোজ খান প্রিন্স পরিচালিত শোধ প্রতিশোধ অভিনয় করেন। বিধ্বস্ত ছায়াছবিতেও মারুফের নায়িকা অরিন এবং শোধ প্রতিশোধ এ নায়িকা মৌসুমী হামিদ ও মৌমিতা মৌ।

ইমদাদুল হক মিজানের পরিচালনায় ‘বেপরোয়া প্রেমিক’ ছায়াছবিতেও অভিনয় করছেন। এই ছবিতে কাজী মারুফের বিপরীতে অভিনয় করবেন চিত্রনায়িকা মৌমিতা মৌ।

বাংলাদেশের ছবিতে নিজের অবস্থান নিয়ে মারুফ বলেন, এ দেশে যারা ছবি বানায় তারা মার্কেট যাচাই না করেই ছবি বানাতে নামে। একসময় সবাই তারকা নিয়ে ছবি বানাত। কিন্তু প্রতিদিন বিরিয়ানি খেতে খেতে সবারই খাবারের মজা শেষ হয়ে যায়। তারপর সবাই মনে করল নতুনদের নিয়ে কাজ করলে দর্শক দেখবে। কিন্তু দেখা গেল নতুনদের নিয়ে যারা ছবি বানিয়েছে, তাদের কেউ টাকা তুলতে পারেনি। এখন বাধ্য হয়ে সবাই আমাকে নিয়ে কাজ করতে চাইছে।

নতুনদের ছবি কেন দেখছে না বলে আপনার মনে হয়? এমন প্রশ্নের জবাবে নায়ক মারুফ বলেন, দর্শক ভালো গল্প দেখতে চায়, ভালো অভিনয় দেখতে চায়। যারা ছবি বানাচ্ছে, তারা প্রায় সবাই নকল গল্প নিয়ে ছবি বানাচ্ছে। আর ধরা পড়ছে সাধারণ দর্শকের কাছে। কারণ দর্শকের সবার বাসাতেই টিভি আছে। যখনই এ দেশের একটি ছবি সে দেখে, তখনই দর্শক বলে দিতে পারে কোনো ছবিকে নকল করা হয়েছে। এমনকি এটাও দেখা গেছে, যে ছবি মান্না ভাই করে গেছে ১২ বছর আগে, একই ছবি এখন বানাচ্ছে আরেকজন। দর্শক বিরক্তির চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

মেধাবী ছাত্র থেকে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা কাজী মারুফ

যখন বাংলাদেশে মান্নাকেন্দ্রিক অ্যাকশন ছবির রমরমা বাণিজ্য, সে সময় পিতা কাজী হায়াৎ এর হাত ধরে চলচ্চিত্রে আসেন কাজী মারুফ। খুব অল্প সময়েই বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই অভিনেতা। বাবা প্রখ্যাত পরিচালক কাজী হায়াৎ এর মাধ্যমে চলচ্চিত্রে এসে তারই পরিচালনায় করা ছবি ‘ইতিহাস’ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

উইলস লিটল ফ্লাওয়ার থেকে ‘ও লেভেল’ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মারুফ ‘এ লেভেল’ সম্পন্ন করেন মাস্টার মাইন্ড থেকে। ২০০১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তারিখে একই দিনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন। সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ওরিয়েন্টেশন শেষ করে বিকেল ৫টায় এফডিসির ১ নম্বর ফ্লোরে ‘ইতিহাস’ চলচ্চিত্রের মহরতের মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে লন্ডন স্কুল অব কমার্স থেকে ব্যবসায় শিক্ষায় স্নাতক সম্পন্ন করেন কাজী মারুফ।

অ্যাকশন ঘরানার চলচ্চিত্রের অভিনেতা কাজী মারুফ তার চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন ইতিহাস ছবির মাধ্যমে। কাজী হায়াৎ পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ২০০২ সালে। প্রথম ছবিতেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতে নেন কাজী মারুফ।

কাজী মারুফ সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের পাশাপাশি বিকল্পধারার চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেছেন।

দেহরক্ষী ছবিতে নাম ভূমিকায়, আনিসুর রহমান মিলন এবং ববির পাশাপাশি দুর্দান্ত অভিনয় করেন। তবে ‘ইভটিজিং’ ছবিতে তার কাশেম চরিত্রটি দর্শকপ্রিয়তা পায়। ২০১৪ সালে তিনি কাজী হায়াৎ পরিচালিত সর্বনাশা ইয়াবা ছবিতে কাজ করছেন।২০১৫ সালে অভিনয় করেছেন মাল্টিমিডিয়া ফিল্ম প্রোডাকশন প্রযোজিত ছিন্নমূল ছায়াছবিতে। এতে তার নায়িকা লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার অরিন। এ ছাড়াও মোস্তাফিজুর রহমান বাবু পরিচালিত বিধ্বস্ত ও ফিরোজ খান প্রিন্স পরিচালিত শোধ প্রতিশোধ অভিনয় করেন। বিধ্বস্ত ছায়াছবিতেও মারুফের নায়িকা অরিন এবং শোধ প্রতিশোধ এ নায়িকা মৌসুমী হামিদ ও মৌমিতা মৌ।

ইমদাদুল হক মিজানের পরিচালনায় ‘বেপরোয়া প্রেমিক’ ছায়াছবিতেও অভিনয় করছেন। এই ছবিতে কাজী মারুফের বিপরীতে অভিনয় করবেন চিত্রনায়িকা মৌমিতা মৌ।

বাংলাদেশের ছবিতে নিজের অবস্থান নিয়ে মারুফ বলেন, এ দেশে যারা ছবি বানায় তারা মার্কেট যাচাই না করেই ছবি বানাতে নামে। একসময় সবাই তারকা নিয়ে ছবি বানাত। কিন্তু প্রতিদিন বিরিয়ানি খেতে খেতে সবারই খাবারের মজা শেষ হয়ে যায়। তারপর সবাই মনে করল নতুনদের নিয়ে কাজ করলে দর্শক দেখবে। কিন্তু দেখা গেল নতুনদের নিয়ে যারা ছবি বানিয়েছে, তাদের কেউ টাকা তুলতে পারেনি। এখন বাধ্য হয়ে সবাই আমাকে নিয়ে কাজ করতে চাইছে।

নতুনদের ছবি কেন দেখছে না বলে আপনার মনে হয়? এমন প্রশ্নের জবাবে নায়ক মারুফ বলেন, দর্শক ভালো গল্প দেখতে চায়, ভালো অভিনয় দেখতে চায়। যারা ছবি বানাচ্ছে, তারা প্রায় সবাই নকল গল্প নিয়ে ছবি বানাচ্ছে। আর ধরা পড়ছে সাধারণ দর্শকের কাছে। কারণ দর্শকের সবার বাসাতেই টিভি আছে। যখনই এ দেশের একটি ছবি সে দেখে, তখনই দর্শক বলে দিতে পারে কোনো ছবিকে নকল করা হয়েছে। এমনকি এটাও দেখা গেছে, যে ছবি মান্না ভাই করে গেছে ১২ বছর আগে, একই ছবি এখন বানাচ্ছে আরেকজন। দর্শক বিরক্তির চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

© Copyright 2014-2018, All Rights Reserved ||| Powered By AnyNews24.Com || Developer By Abir-Group

%d bloggers like this:
www.scriptsell.net