ঢাকা: দেশিয় চলচ্চিত্রের আকাশে যখন, দুর্যোগের আভাস। বিশেষত যৌথ প্রযোজনার ছবির কারণে অনেক তারকাই যখন কোন ঠাসা, ঠিক তখনই প্রেক্ষাগৃহে হাজির হয়ে দুই জোড়া তরুণ তরুণীর ছবি। চলচ্চিত্রে তাদের পরিচিতি আকাশ ছোঁয়া না হলেও, স্বপ্ন দেখছেন আকাশ ছোঁয়ার। বলে রাখা ভালো আগামী দেশ জুড়ে মুক্তি পাচ্ছে নতুন দুটি চলচ্চিত্র। একটি ‘ভোলা তো যায় না তারে’, অন্যটি ‘মিয়া বিবি রাজি’। দুটি ছবির গল্পই মৌলিক বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন দেখার বিষয় দর্শক কি বলে। দর্শকের মন্তব্যের জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে চলচ্চিত্রটি দু’টিতে অভিনয় করা চার নবীন অভিনেতা অভিনেত্রীও।  

মিয়া বিবি রাজি’ ছবির কাজ শেষ হয়েছে অনেক আগেই। ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়ার থাকলেও, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে প্রায় বছর দেড়েক পরে আগামীকাল প্রেক্ষাগৃহে আসছে ছবিটি। এতে পরী নামের একটি চরিত্রে দেখা মিললে চিত্রনায়িকা শিরিন শিলার। ছবিতে নিজের চরিত্র সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘গ্রামের চঞ্চল একটি মেয়ে। পরিবারের সবার আদরের। একই গ্রামের একটি ছেলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক। কিন্তু সেই সর্ম্পককে কেন্দ্র করে শুরু হয় দুই পরিবারের দ্বন্দ।’

মিঞা বিবি রাজি চলচ্চিত্রের দৃশ্যে সুমিত ও শীলা

‘মিয়া বিবি রাজি’ ছবিতে পরীর বিপরীতে সাজু চরিত্রে দেখা মিলবে সুমিতের। তার ভাষায়, ‘শহরে পড়াশোনা শেষ করে গ্রামে ফিরে আসে সাজু। ইচ্ছা এখানেই কিছু করার। এরই মধ্যে পরীর সঙ্গে প্রেমেরে সর্ম্পক। তারপর এগিয়ে যেতে থাকে গল্প। 

অ্যাকশন ছবির পরিচালক হিসেবে স্বীকৃত শাহিন সুমনের এটাই প্রথম রোমান্টিক গল্পে নির্মাণ। তবে পরিচালকের উপর আস্থা রাখতে চান ছবির প্রধান দুই চরিত্র। তাদের ভাষায়, ‘শাহিন সুমন একটি ব্র্যান্ড। তার ছবি হওয়ার কারণে অনেক দর্শকই প্রেক্ষাগৃহে আসবে’। 

তবে সুমিতের আরও একটি যুক্তি আছে, তা হলো মৌলিক গল্প। এ প্রসঙ্গে তার বক্তব্য হলো, ‘এখন অধিকাংশ ছবিই নকলের কারণে দর্শক দেখে না। আমাদের ছবিটি একেবারেই মৌলিক গল্পে নির্মিত।’

সুমিতের সঙ্গে একমত শিরিন শিলাও। তার ভাষায়, ‘ছবির গল্পে উঠে এসেছে পরিচালকের ছাত্র জীবনের কিছু ঘটনাও। যা অন্য কারো সঙ্গে মিলবে না’।

নবাগতা তাসনিয়ার সঙ্গে নীরব

রফিক শিকদার পরিচালিত নিরব-তানহা জুটির ছবি ‘ভোলা তো যায় না তারে’। হিন্দু ও মুসলিম পরিবারের গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে ছবিটি। কিন্তু চলচ্চিত্র শিল্পে যখন খরা চলছে, তখন এমন একটি ছবি দিয়ে দর্শকে হলে আনা সম্ভব? এমন প্রশ্ন শুনে নায়িকা তানহার যুক্তি, ‘হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস নিয়ে যেমন ছবি নির্মাণ করা হয়, ঠিক তেমনই আমাদের ছবির গল্প পরিচালক রফিক শিকদারের উপন্যাস থেকেই নেয়া। ফলে ছবিটি মৌলিক গল্পের কিনা, তা নিয়ে দর্শকদের মনে কোন সন্দেহ থাকবে না।’

তানহা আরো বলেন, ‘হিরো হিরোইন কেউ কিন্তু কারো চেয়ে কম নয়। তারপরও শুধু গল্পের কারণেই দর্শক এখন হলে যেতে চায় না। আমার আশা মৌলিক গল্পের গ্যারান্টি পেলে দর্শক অবশ্যই হলে যাবে।’

বলে রাখা ভালো এটা তানহা  অভিনীত প্রথম ছবি। একারণে তার কপালে কিছুটা চিন্তার রেখাও দেখা গিয়েছে।

এদিকে চলচ্চিত্রের সঙ্গে নিববের সর্ম্পক বেশ কয়েক বছরের। সে কারণেই ছবির গল্প সর্ম্পকে জানতে চাইলে সুকৌশলে বলেন, ‘দুটি হিন্দু-মুসলিম প্রেমিক প্রেমিকার গল্প নিয়ে ছবি। বাকিটা দর্শক হলে গেলেই বুঝতে পারবে।’

তবে ছবি সর্ম্পকে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমার ছবির গল্প দর্শক সুপার গ্লুর মতো প্রেক্ষাগৃহে ধরে রাখবে। বিশেষত ছবির ২০-২৫ মিনিট অতিবাহিত হলেই দর্শক গল্পের টুই্স্ট পেতে শুরু করবে।

দর্শক হলে টানতে চারজনই ছুটছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমে। কাল থেকে তাদের স্বপ্নের পর্দা উঠছে হলে হলে… 

ঢাকা: দেশিয় চলচ্চিত্রের আকাশে যখন, দুর্যোগের আভাস। বিশেষত যৌথ প্রযোজনার ছবির কারণে অনেক তারকাই যখন কোন ঠাসা, ঠিক তখনই প্রেক্ষাগৃহে হাজির হয়ে দুই জোড়া তরুণ তরুণীর ছবি। চলচ্চিত্রে তাদের পরিচিতি আকাশ ছোঁয়া না হলেও, স্বপ্ন দেখছেন আকাশ ছোঁয়ার। বলে রাখা ভালো আগামী দেশ জুড়ে মুক্তি পাচ্ছে নতুন দুটি চলচ্চিত্র। একটি ‘ভোলা তো যায় না তারে’, অন্যটি ‘মিয়া বিবি রাজি’। দুটি ছবির গল্পই মৌলিক বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন দেখার বিষয় দর্শক কি বলে। দর্শকের মন্তব্যের জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে চলচ্চিত্রটি দু’টিতে অভিনয় করা চার নবীন অভিনেতা অভিনেত্রীও।  

মিয়া বিবি রাজি’ ছবির কাজ শেষ হয়েছে অনেক আগেই। ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়ার থাকলেও, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে প্রায় বছর দেড়েক পরে আগামীকাল প্রেক্ষাগৃহে আসছে ছবিটি। এতে পরী নামের একটি চরিত্রে দেখা মিললে চিত্রনায়িকা শিরিন শিলার। ছবিতে নিজের চরিত্র সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘গ্রামের চঞ্চল একটি মেয়ে। পরিবারের সবার আদরের। একই গ্রামের একটি ছেলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক। কিন্তু সেই সর্ম্পককে কেন্দ্র করে শুরু হয় দুই পরিবারের দ্বন্দ।’

মিঞা বিবি রাজি চলচ্চিত্রের দৃশ্যে সুমিত ও শীলা

‘মিয়া বিবি রাজি’ ছবিতে পরীর বিপরীতে সাজু চরিত্রে দেখা মিলবে সুমিতের। তার ভাষায়, ‘শহরে পড়াশোনা শেষ করে গ্রামে ফিরে আসে সাজু। ইচ্ছা এখানেই কিছু করার। এরই মধ্যে পরীর সঙ্গে প্রেমেরে সর্ম্পক। তারপর এগিয়ে যেতে থাকে গল্প। 

অ্যাকশন ছবির পরিচালক হিসেবে স্বীকৃত শাহিন সুমনের এটাই প্রথম রোমান্টিক গল্পে নির্মাণ। তবে পরিচালকের উপর আস্থা রাখতে চান ছবির প্রধান দুই চরিত্র। তাদের ভাষায়, ‘শাহিন সুমন একটি ব্র্যান্ড। তার ছবি হওয়ার কারণে অনেক দর্শকই প্রেক্ষাগৃহে আসবে’। 

তবে সুমিতের আরও একটি যুক্তি আছে, তা হলো মৌলিক গল্প। এ প্রসঙ্গে তার বক্তব্য হলো, ‘এখন অধিকাংশ ছবিই নকলের কারণে দর্শক দেখে না। আমাদের ছবিটি একেবারেই মৌলিক গল্পে নির্মিত।’

সুমিতের সঙ্গে একমত শিরিন শিলাও। তার ভাষায়, ‘ছবির গল্পে উঠে এসেছে পরিচালকের ছাত্র জীবনের কিছু ঘটনাও। যা অন্য কারো সঙ্গে মিলবে না’।

নবাগতা তাসনিয়ার সঙ্গে নীরব

রফিক শিকদার পরিচালিত নিরব-তানহা জুটির ছবি ‘ভোলা তো যায় না তারে’। হিন্দু ও মুসলিম পরিবারের গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে ছবিটি। কিন্তু চলচ্চিত্র শিল্পে যখন খরা চলছে, তখন এমন একটি ছবি দিয়ে দর্শকে হলে আনা সম্ভব? এমন প্রশ্ন শুনে নায়িকা তানহার যুক্তি, ‘হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস নিয়ে যেমন ছবি নির্মাণ করা হয়, ঠিক তেমনই আমাদের ছবির গল্প পরিচালক রফিক শিকদারের উপন্যাস থেকেই নেয়া। ফলে ছবিটি মৌলিক গল্পের কিনা, তা নিয়ে দর্শকদের মনে কোন সন্দেহ থাকবে না।’

তানহা আরো বলেন, ‘হিরো হিরোইন কেউ কিন্তু কারো চেয়ে কম নয়। তারপরও শুধু গল্পের কারণেই দর্শক এখন হলে যেতে চায় না। আমার আশা মৌলিক গল্পের গ্যারান্টি পেলে দর্শক অবশ্যই হলে যাবে।’

বলে রাখা ভালো এটা তানহা  অভিনীত প্রথম ছবি। একারণে তার কপালে কিছুটা চিন্তার রেখাও দেখা গিয়েছে।

এদিকে চলচ্চিত্রের সঙ্গে নিববের সর্ম্পক বেশ কয়েক বছরের। সে কারণেই ছবির গল্প সর্ম্পকে জানতে চাইলে সুকৌশলে বলেন, ‘দুটি হিন্দু-মুসলিম প্রেমিক প্রেমিকার গল্প নিয়ে ছবি। বাকিটা দর্শক হলে গেলেই বুঝতে পারবে।’

তবে ছবি সর্ম্পকে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমার ছবির গল্প দর্শক সুপার গ্লুর মতো প্রেক্ষাগৃহে ধরে রাখবে। বিশেষত ছবির ২০-২৫ মিনিট অতিবাহিত হলেই দর্শক গল্পের টুই্স্ট পেতে শুরু করবে।

দর্শক হলে টানতে চারজনই ছুটছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমে। কাল থেকে তাদের স্বপ্নের পর্দা উঠছে হলে হলে… 

ঢাকা: দেশিয় চলচ্চিত্রের আকাশে যখন, দুর্যোগের আভাস। বিশেষত যৌথ প্রযোজনার ছবির কারণে অনেক তারকাই যখন কোন ঠাসা, ঠিক তখনই প্রেক্ষাগৃহে হাজির হয়ে দুই জোড়া তরুণ তরুণীর ছবি। চলচ্চিত্রে তাদের পরিচিতি আকাশ ছোঁয়া না হলেও, স্বপ্ন দেখছেন আকাশ ছোঁয়ার। বলে রাখা ভালো আগামী দেশ জুড়ে মুক্তি পাচ্ছে নতুন দুটি চলচ্চিত্র। একটি ‘ভোলা তো যায় না তারে’, অন্যটি ‘মিয়া বিবি রাজি’। দুটি ছবির গল্পই মৌলিক বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন দেখার বিষয় দর্শক কি বলে। দর্শকের মন্তব্যের জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে চলচ্চিত্রটি দু’টিতে অভিনয় করা চার নবীন অভিনেতা অভিনেত্রীও।  

মিয়া বিবি রাজি’ ছবির কাজ শেষ হয়েছে অনেক আগেই। ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়ার থাকলেও, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে প্রায় বছর দেড়েক পরে আগামীকাল প্রেক্ষাগৃহে আসছে ছবিটি। এতে পরী নামের একটি চরিত্রে দেখা মিললে চিত্রনায়িকা শিরিন শিলার। ছবিতে নিজের চরিত্র সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘গ্রামের চঞ্চল একটি মেয়ে। পরিবারের সবার আদরের। একই গ্রামের একটি ছেলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক। কিন্তু সেই সর্ম্পককে কেন্দ্র করে শুরু হয় দুই পরিবারের দ্বন্দ।’

মিঞা বিবি রাজি চলচ্চিত্রের দৃশ্যে সুমিত ও শীলা

‘মিয়া বিবি রাজি’ ছবিতে পরীর বিপরীতে সাজু চরিত্রে দেখা মিলবে সুমিতের। তার ভাষায়, ‘শহরে পড়াশোনা শেষ করে গ্রামে ফিরে আসে সাজু। ইচ্ছা এখানেই কিছু করার। এরই মধ্যে পরীর সঙ্গে প্রেমেরে সর্ম্পক। তারপর এগিয়ে যেতে থাকে গল্প। 

অ্যাকশন ছবির পরিচালক হিসেবে স্বীকৃত শাহিন সুমনের এটাই প্রথম রোমান্টিক গল্পে নির্মাণ। তবে পরিচালকের উপর আস্থা রাখতে চান ছবির প্রধান দুই চরিত্র। তাদের ভাষায়, ‘শাহিন সুমন একটি ব্র্যান্ড। তার ছবি হওয়ার কারণে অনেক দর্শকই প্রেক্ষাগৃহে আসবে’। 

তবে সুমিতের আরও একটি যুক্তি আছে, তা হলো মৌলিক গল্প। এ প্রসঙ্গে তার বক্তব্য হলো, ‘এখন অধিকাংশ ছবিই নকলের কারণে দর্শক দেখে না। আমাদের ছবিটি একেবারেই মৌলিক গল্পে নির্মিত।’

সুমিতের সঙ্গে একমত শিরিন শিলাও। তার ভাষায়, ‘ছবির গল্পে উঠে এসেছে পরিচালকের ছাত্র জীবনের কিছু ঘটনাও। যা অন্য কারো সঙ্গে মিলবে না’।

নবাগতা তাসনিয়ার সঙ্গে নীরব

রফিক শিকদার পরিচালিত নিরব-তানহা জুটির ছবি ‘ভোলা তো যায় না তারে’। হিন্দু ও মুসলিম পরিবারের গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে ছবিটি। কিন্তু চলচ্চিত্র শিল্পে যখন খরা চলছে, তখন এমন একটি ছবি দিয়ে দর্শকে হলে আনা সম্ভব? এমন প্রশ্ন শুনে নায়িকা তানহার যুক্তি, ‘হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস নিয়ে যেমন ছবি নির্মাণ করা হয়, ঠিক তেমনই আমাদের ছবির গল্প পরিচালক রফিক শিকদারের উপন্যাস থেকেই নেয়া। ফলে ছবিটি মৌলিক গল্পের কিনা, তা নিয়ে দর্শকদের মনে কোন সন্দেহ থাকবে না।’

তানহা আরো বলেন, ‘হিরো হিরোইন কেউ কিন্তু কারো চেয়ে কম নয়। তারপরও শুধু গল্পের কারণেই দর্শক এখন হলে যেতে চায় না। আমার আশা মৌলিক গল্পের গ্যারান্টি পেলে দর্শক অবশ্যই হলে যাবে।’

বলে রাখা ভালো এটা তানহা  অভিনীত প্রথম ছবি। একারণে তার কপালে কিছুটা চিন্তার রেখাও দেখা গিয়েছে।

এদিকে চলচ্চিত্রের সঙ্গে নিববের সর্ম্পক বেশ কয়েক বছরের। সে কারণেই ছবির গল্প সর্ম্পকে জানতে চাইলে সুকৌশলে বলেন, ‘দুটি হিন্দু-মুসলিম প্রেমিক প্রেমিকার গল্প নিয়ে ছবি। বাকিটা দর্শক হলে গেলেই বুঝতে পারবে।’

তবে ছবি সর্ম্পকে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমার ছবির গল্প দর্শক সুপার গ্লুর মতো প্রেক্ষাগৃহে ধরে রাখবে। বিশেষত ছবির ২০-২৫ মিনিট অতিবাহিত হলেই দর্শক গল্পের টুই্স্ট পেতে শুরু করবে।

দর্শক হলে টানতে চারজনই ছুটছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমে। কাল থেকে তাদের স্বপ্নের পর্দা উঠছে হলে হলে… 

ঢাকা: দেশিয় চলচ্চিত্রের আকাশে যখন, দুর্যোগের আভাস। বিশেষত যৌথ প্রযোজনার ছবির কারণে অনেক তারকাই যখন কোন ঠাসা, ঠিক তখনই প্রেক্ষাগৃহে হাজির হয়ে দুই জোড়া তরুণ তরুণীর ছবি। চলচ্চিত্রে তাদের পরিচিতি আকাশ ছোঁয়া না হলেও, স্বপ্ন দেখছেন আকাশ ছোঁয়ার। বলে রাখা ভালো আগামী দেশ জুড়ে মুক্তি পাচ্ছে নতুন দুটি চলচ্চিত্র। একটি ‘ভোলা তো যায় না তারে’, অন্যটি ‘মিয়া বিবি রাজি’। দুটি ছবির গল্পই মৌলিক বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন দেখার বিষয় দর্শক কি বলে। দর্শকের মন্তব্যের জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে চলচ্চিত্রটি দু’টিতে অভিনয় করা চার নবীন অভিনেতা অভিনেত্রীও।  

মিয়া বিবি রাজি’ ছবির কাজ শেষ হয়েছে অনেক আগেই। ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়ার থাকলেও, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে প্রায় বছর দেড়েক পরে আগামীকাল প্রেক্ষাগৃহে আসছে ছবিটি। এতে পরী নামের একটি চরিত্রে দেখা মিললে চিত্রনায়িকা শিরিন শিলার। ছবিতে নিজের চরিত্র সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘গ্রামের চঞ্চল একটি মেয়ে। পরিবারের সবার আদরের। একই গ্রামের একটি ছেলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক। কিন্তু সেই সর্ম্পককে কেন্দ্র করে শুরু হয় দুই পরিবারের দ্বন্দ।’

মিঞা বিবি রাজি চলচ্চিত্রের দৃশ্যে সুমিত ও শীলা

‘মিয়া বিবি রাজি’ ছবিতে পরীর বিপরীতে সাজু চরিত্রে দেখা মিলবে সুমিতের। তার ভাষায়, ‘শহরে পড়াশোনা শেষ করে গ্রামে ফিরে আসে সাজু। ইচ্ছা এখানেই কিছু করার। এরই মধ্যে পরীর সঙ্গে প্রেমেরে সর্ম্পক। তারপর এগিয়ে যেতে থাকে গল্প। 

অ্যাকশন ছবির পরিচালক হিসেবে স্বীকৃত শাহিন সুমনের এটাই প্রথম রোমান্টিক গল্পে নির্মাণ। তবে পরিচালকের উপর আস্থা রাখতে চান ছবির প্রধান দুই চরিত্র। তাদের ভাষায়, ‘শাহিন সুমন একটি ব্র্যান্ড। তার ছবি হওয়ার কারণে অনেক দর্শকই প্রেক্ষাগৃহে আসবে’। 

তবে সুমিতের আরও একটি যুক্তি আছে, তা হলো মৌলিক গল্প। এ প্রসঙ্গে তার বক্তব্য হলো, ‘এখন অধিকাংশ ছবিই নকলের কারণে দর্শক দেখে না। আমাদের ছবিটি একেবারেই মৌলিক গল্পে নির্মিত।’

সুমিতের সঙ্গে একমত শিরিন শিলাও। তার ভাষায়, ‘ছবির গল্পে উঠে এসেছে পরিচালকের ছাত্র জীবনের কিছু ঘটনাও। যা অন্য কারো সঙ্গে মিলবে না’।

নবাগতা তাসনিয়ার সঙ্গে নীরব

রফিক শিকদার পরিচালিত নিরব-তানহা জুটির ছবি ‘ভোলা তো যায় না তারে’। হিন্দু ও মুসলিম পরিবারের গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে ছবিটি। কিন্তু চলচ্চিত্র শিল্পে যখন খরা চলছে, তখন এমন একটি ছবি দিয়ে দর্শকে হলে আনা সম্ভব? এমন প্রশ্ন শুনে নায়িকা তানহার যুক্তি, ‘হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস নিয়ে যেমন ছবি নির্মাণ করা হয়, ঠিক তেমনই আমাদের ছবির গল্প পরিচালক রফিক শিকদারের উপন্যাস থেকেই নেয়া। ফলে ছবিটি মৌলিক গল্পের কিনা, তা নিয়ে দর্শকদের মনে কোন সন্দেহ থাকবে না।’

তানহা আরো বলেন, ‘হিরো হিরোইন কেউ কিন্তু কারো চেয়ে কম নয়। তারপরও শুধু গল্পের কারণেই দর্শক এখন হলে যেতে চায় না। আমার আশা মৌলিক গল্পের গ্যারান্টি পেলে দর্শক অবশ্যই হলে যাবে।’

বলে রাখা ভালো এটা তানহা  অভিনীত প্রথম ছবি। একারণে তার কপালে কিছুটা চিন্তার রেখাও দেখা গিয়েছে।

এদিকে চলচ্চিত্রের সঙ্গে নিববের সর্ম্পক বেশ কয়েক বছরের। সে কারণেই ছবির গল্প সর্ম্পকে জানতে চাইলে সুকৌশলে বলেন, ‘দুটি হিন্দু-মুসলিম প্রেমিক প্রেমিকার গল্প নিয়ে ছবি। বাকিটা দর্শক হলে গেলেই বুঝতে পারবে।’

তবে ছবি সর্ম্পকে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমার ছবির গল্প দর্শক সুপার গ্লুর মতো প্রেক্ষাগৃহে ধরে রাখবে। বিশেষত ছবির ২০-২৫ মিনিট অতিবাহিত হলেই দর্শক গল্পের টুই্স্ট পেতে শুরু করবে।

দর্শক হলে টানতে চারজনই ছুটছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমে। কাল থেকে তাদের স্বপ্নের পর্দা উঠছে হলে হলে… 

© Copyright 2014-2018, All Rights Reserved ||| Powered By AnyNews24.Com || Developer By Abir-Group

%d bloggers like this:
www.scriptsell.net