বিচ্ছেদ হলেও সন্তানদের জন্য তাঁরা এক

মুম্বাই, ০৬ জুলাই- তারকাদের সংসার জীবনের সঙ্গে বিচ্ছেদ শব্দটা অনেক বেশি চর্চিত। অধিকাংশ তারকার দাম্পত্য জীবনের পরিণতি বিচ্ছেদেই গড়ায়। তবে বিচ্ছেদের পর শুরু হয় সন্তান নিয়ে নতুন ঝামেলার। কার কাছে কিভাবে থাকবে সন্তানেরা? এই প্রশ্নের সমীকরণ মেলাতে চেষ্টা করেন তারা। তাই অনেক তারকাই বিচ্ছেদ হয়ে গেলেও, সন্তানদের দায়িত্বটা একসঙ্গেই সামলান। এমনই কিছু দম্পতিকে নিয়ে সাজানো এই আয়োজন। এক নজরে জেনে নেয়া যাক বিস্তারিত-

হৃতিক রোশন-সুজান খান
১৪ বছরের দাম্পত্যে জীবনের ইতি টেনেছিলেন হৃতিক-সুজান। প্রশ্ন উঠেছিল, তাঁদের দুই ছেলে রেহান আর হৃদানের কী হবে? হৃতিক-সুজান দু’জনেই কিন্তু স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, তাঁদের তিক্ততার ছাপ ছেলেদের উপর পড়তে দেবেন না। বাচ্চারা ভাগাভাগি করে বাবা-মায়ের কাছে থাকে। হৃতিক নিয়মিত বাচ্চাদের নিয়ে বাইরে বেড়াতে যান। সম্প্রতি রেহান আর হৃদানকে নিয়ে রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন হৃতিক-সুজান।

ফারহান আখতার- অধুনা ভবানী
মিডিয়ায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের খবর জানিয়েছিলেন ফারহান আর অধুনা। সেখানেই স্পষ্ট করে লেখা ছিল, তাঁদের সমস্যার প্রভাব সন্তান প্রতিপালনে পড়বে না। বাচ্চাদের জন্য তাঁরা দু’জনে সব সময় এক থাকবেন। ফারহান-অধুনার ১৬ বছরের দাম্পত্যজীবনে ছেদ পড়লেও দুই মেয়েকে নিয়ে একসঙ্গে ঘোরাফেরা করেন। বিচ্ছেদের পর ফারহানের সম্পর্কে কোনওদিনই খারাপ মন্তব্য করেননি অধুনা। এমনকী, ফারহানের ছবিতে হেয়ারস্টাইলিস্ট হিসেবে কাজও করেছেন অধুনা।

গোয়েনেথ প্যালট্রো- ক্রিস মার্টিন
বিচ্ছেদ হওয়ার দু’জনে দাম্পত্যজীবন থেকে সাময়িক বিরতি নিয়েছিলেন। দেখছিলেন, বিচ্ছেদটা আদৌ জরুরী কি না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২০১৫ সালে বিবাহবিচ্ছেদটা করেই ফেলেন গোয়েনেথ আর ক্রিস। মেয়ের জন্মের পর থেকেই কাজ করা কমিয়ে দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। ছেলে হওয়ার পর কিছুদিন ডিপ্রেশনে ভুগেছিলেন গোয়েনেথ। তার পরেই সিদ্ধান্ত নেন বিচ্ছেদের। তাই বলে ছেলেমেয়েকে অবহেলা করেন না মোটেই। ক্রিস আর গোয়েনেথ বাচ্চাদের নিয়ে একসঙ্গে বেড়াতেও যান।

রাহুল- প্রিয়াঙ্কা সরকার
রাহুল-প্রিয়াঙ্কার প্রেম নিয়ে সরগরম ছিল টালিউড। তাই রাহুল আর প্রিয়াঙ্কার বিচ্ছেদটা বেশ শকিং ছিল সকলের কাছে! যদিও রাহুল বা প্রিয়াঙ্কা কেউই স্পষ্ট করে নিজেদের বিচ্ছেদটা ঘোষণা করেননি। তবে তাঁরা এখন আলাদাই থাকেন। নিজেদের মধ্যে যা হয়ে থাকুক, রাহুল কিংবা প্রিয়াঙ্কা কেউই ছেলে সহজের উপর তার আঁচ পড়তে দিতে রাজি নন। ছেলের তিন বছরের জন্মদিনে দু’জনে মিলে সহজকে নিয়ে সারাদিনটা কাটিয়েছেন। সহজ মায়ের কাছে থাকলেও, বাবার সান্নিধ্যে থেকে বঞ্চিত হয় না। রাহুল-প্রিয়াঙ্কা দু’জনেই সোশ্যাল মিডিয়ার তিনজনের একসঙ্গে ছবি শেয়ার করে থাকেন।

কঙ্কণা সেন শর্মা- রণবীর শোরে
বিয়ের পাঁচ বছরের মধ্যেই সম্পর্কটা ভেঙে গিয়েছিল। কিন্তু পরস্পরের প্রতি সম্মানটা এখনও অটুট রেখেছেন কঙ্কণা আর রণবীর। ছেলে হারুণ থাকে কঙ্কণার কাছেই। কিন্তু অভিভাবকত্বটা স্বামী-স্ত্রী দু’জনে মিলেই পালন করে থাকেন। এমনকী, বিচ্ছেদের পর কঙ্কণার ছবি ‘আ ডেথ ইন দ্য গঞ্জ’এ অভিনয় করেছেন রণবীর। দু’জনে একবাক্যে বলে থাকেন, তাঁদের সম্পর্কের প্রভাব ছেলের উপর পড়তে দেবেন না।

বেন অ্যাফ্লেক -জেনিফার গার্নার
১০ বছরের বিবাহবার্ষিকীর ঠিক আগেই নিজেদের বিচ্ছেদের ঘোষণা করেছিলেন। বেন আর জেনিফারের তিন সন্তান। বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে জেনিফার বলেছিলেন, বেন নাকি বাচ্চাদের ন্যানির সঙ্গে প্রেম করছিলেন। তাঁদের সম্পর্ক ভেঙে গেলেও একে অপরকে কিন্তু ছেড়ে যাননি। একই বাড়িতে আলাদা আলাদা থাকেন। কারণ, অবশ্যই তাঁদের ছেলেমেয়ে। বেনের মতে, বাবা-মা আলাদা হয়ে গেলে ছেলেমেয়েদের নিয়ে যে টানাহেঁচড়াটা হয়, সেটা তাঁরা দু’জনেই চাননি। বাচ্চাদের নিয়ে দু’জনে বেড়াতেও যান। বেন বাইরে শুটিংয়ে গেলে জেনিফার হাতে কাজ রাখেন না। উল্টোটাও ঘটে থাকে।

বিচ্ছেদ হলেও সন্তানদের জন্য তাঁরা এক

মুম্বাই, ০৬ জুলাই- তারকাদের সংসার জীবনের সঙ্গে বিচ্ছেদ শব্দটা অনেক বেশি চর্চিত। অধিকাংশ তারকার দাম্পত্য জীবনের পরিণতি বিচ্ছেদেই গড়ায়। তবে বিচ্ছেদের পর শুরু হয় সন্তান নিয়ে নতুন ঝামেলার। কার কাছে কিভাবে থাকবে সন্তানেরা? এই প্রশ্নের সমীকরণ মেলাতে চেষ্টা করেন তারা। তাই অনেক তারকাই বিচ্ছেদ হয়ে গেলেও, সন্তানদের দায়িত্বটা একসঙ্গেই সামলান। এমনই কিছু দম্পতিকে নিয়ে সাজানো এই আয়োজন। এক নজরে জেনে নেয়া যাক বিস্তারিত-

হৃতিক রোশন-সুজান খান
১৪ বছরের দাম্পত্যে জীবনের ইতি টেনেছিলেন হৃতিক-সুজান। প্রশ্ন উঠেছিল, তাঁদের দুই ছেলে রেহান আর হৃদানের কী হবে? হৃতিক-সুজান দু’জনেই কিন্তু স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, তাঁদের তিক্ততার ছাপ ছেলেদের উপর পড়তে দেবেন না। বাচ্চারা ভাগাভাগি করে বাবা-মায়ের কাছে থাকে। হৃতিক নিয়মিত বাচ্চাদের নিয়ে বাইরে বেড়াতে যান। সম্প্রতি রেহান আর হৃদানকে নিয়ে রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন হৃতিক-সুজান।

ফারহান আখতার- অধুনা ভবানী
মিডিয়ায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের খবর জানিয়েছিলেন ফারহান আর অধুনা। সেখানেই স্পষ্ট করে লেখা ছিল, তাঁদের সমস্যার প্রভাব সন্তান প্রতিপালনে পড়বে না। বাচ্চাদের জন্য তাঁরা দু’জনে সব সময় এক থাকবেন। ফারহান-অধুনার ১৬ বছরের দাম্পত্যজীবনে ছেদ পড়লেও দুই মেয়েকে নিয়ে একসঙ্গে ঘোরাফেরা করেন। বিচ্ছেদের পর ফারহানের সম্পর্কে কোনওদিনই খারাপ মন্তব্য করেননি অধুনা। এমনকী, ফারহানের ছবিতে হেয়ারস্টাইলিস্ট হিসেবে কাজও করেছেন অধুনা।

গোয়েনেথ প্যালট্রো- ক্রিস মার্টিন
বিচ্ছেদ হওয়ার দু’জনে দাম্পত্যজীবন থেকে সাময়িক বিরতি নিয়েছিলেন। দেখছিলেন, বিচ্ছেদটা আদৌ জরুরী কি না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২০১৫ সালে বিবাহবিচ্ছেদটা করেই ফেলেন গোয়েনেথ আর ক্রিস। মেয়ের জন্মের পর থেকেই কাজ করা কমিয়ে দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। ছেলে হওয়ার পর কিছুদিন ডিপ্রেশনে ভুগেছিলেন গোয়েনেথ। তার পরেই সিদ্ধান্ত নেন বিচ্ছেদের। তাই বলে ছেলেমেয়েকে অবহেলা করেন না মোটেই। ক্রিস আর গোয়েনেথ বাচ্চাদের নিয়ে একসঙ্গে বেড়াতেও যান।

রাহুল- প্রিয়াঙ্কা সরকার
রাহুল-প্রিয়াঙ্কার প্রেম নিয়ে সরগরম ছিল টালিউড। তাই রাহুল আর প্রিয়াঙ্কার বিচ্ছেদটা বেশ শকিং ছিল সকলের কাছে! যদিও রাহুল বা প্রিয়াঙ্কা কেউই স্পষ্ট করে নিজেদের বিচ্ছেদটা ঘোষণা করেননি। তবে তাঁরা এখন আলাদাই থাকেন। নিজেদের মধ্যে যা হয়ে থাকুক, রাহুল কিংবা প্রিয়াঙ্কা কেউই ছেলে সহজের উপর তার আঁচ পড়তে দিতে রাজি নন। ছেলের তিন বছরের জন্মদিনে দু’জনে মিলে সহজকে নিয়ে সারাদিনটা কাটিয়েছেন। সহজ মায়ের কাছে থাকলেও, বাবার সান্নিধ্যে থেকে বঞ্চিত হয় না। রাহুল-প্রিয়াঙ্কা দু’জনেই সোশ্যাল মিডিয়ার তিনজনের একসঙ্গে ছবি শেয়ার করে থাকেন।

কঙ্কণা সেন শর্মা- রণবীর শোরে
বিয়ের পাঁচ বছরের মধ্যেই সম্পর্কটা ভেঙে গিয়েছিল। কিন্তু পরস্পরের প্রতি সম্মানটা এখনও অটুট রেখেছেন কঙ্কণা আর রণবীর। ছেলে হারুণ থাকে কঙ্কণার কাছেই। কিন্তু অভিভাবকত্বটা স্বামী-স্ত্রী দু’জনে মিলেই পালন করে থাকেন। এমনকী, বিচ্ছেদের পর কঙ্কণার ছবি ‘আ ডেথ ইন দ্য গঞ্জ’এ অভিনয় করেছেন রণবীর। দু’জনে একবাক্যে বলে থাকেন, তাঁদের সম্পর্কের প্রভাব ছেলের উপর পড়তে দেবেন না।

বেন অ্যাফ্লেক -জেনিফার গার্নার
১০ বছরের বিবাহবার্ষিকীর ঠিক আগেই নিজেদের বিচ্ছেদের ঘোষণা করেছিলেন। বেন আর জেনিফারের তিন সন্তান। বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে জেনিফার বলেছিলেন, বেন নাকি বাচ্চাদের ন্যানির সঙ্গে প্রেম করছিলেন। তাঁদের সম্পর্ক ভেঙে গেলেও একে অপরকে কিন্তু ছেড়ে যাননি। একই বাড়িতে আলাদা আলাদা থাকেন। কারণ, অবশ্যই তাঁদের ছেলেমেয়ে। বেনের মতে, বাবা-মা আলাদা হয়ে গেলে ছেলেমেয়েদের নিয়ে যে টানাহেঁচড়াটা হয়, সেটা তাঁরা দু’জনেই চাননি। বাচ্চাদের নিয়ে দু’জনে বেড়াতেও যান। বেন বাইরে শুটিংয়ে গেলে জেনিফার হাতে কাজ রাখেন না। উল্টোটাও ঘটে থাকে।

BREAKING NEWS

Leave a Reply

© Copyright 2014-2018, All Rights Reserved ||| Powered By AnyNews24.Com || Developer By Abir-Group

%d bloggers like this:
www.scriptsell.net