বাম পাশের ছবিতে জুনায়েদ এবং ডান পাশের ছবিতে ‘আমি জুনায়েদ’ নাটকের অভিনয় শিল্পীদ্বয়। ছবি: সংগৃহীত।

ফোন করতেই ওপাশ থেকে ভেসে এলো একটি শীতল কণ্ঠস্বর।  সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা হলো জুনায়েদের। জীবনের একটা সময় একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়ে বসেছিলেন তিনি। সে কথা কারো অজানা নয়। সে জন্য জুনায়েদকে মাশুলও গুণতে হয়েছে অনেক। সেই ঘটনার কথা ভুলে থাকতে চান জুনায়েদ নিজেও। তিনি বর্তমানে একজন পরিবর্তিত মানুষ। নিজেদের গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির কারবার নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। খুব ভালোই চলছিল দিনকাল। কিন্তু এরই মধ্যে তার জীবনে ঘটে যাওয়া ঐ ঘটনার ছায়া অবলম্বনে নির্মিত ‘আমি জুনায়েদ’ নাটকটি তার জীবনে পুনরায় নিয়ে এসেছে অতীতের সেই অপ্রীতিকর ঘটনার অনাকাঙ্ক্ষিত আবহ। ‘আমি জুনায়েদ’ নাটকটি যে জুনায়েদের ঐ ঘটনার ছায়া অবলম্বনেই নির্মিত, সেটি উল্লেখ করেছে একটি বেসরকারি অনলাইন গণমাধ্যম। এ নিয়ে কিছুটা বিব্রত পরিস্থিতিতে রয়েছেন প্রকৃত জুনায়েদ। ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছেন তিনি।

জুনায়েদের বাবার নাম ইমদাদ হোসাইন। জোনায়েদের কাছে প্রশ্ন ছিল, আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের একটি স্ট্যাটাসে আপনি ‘আমি জুনায়েদ’ নাটকে অভিনয় করা অভিনেতা ইমন, জোভান, অভিনেত্রী টয়াসহ উক্ত নাটকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে লিখেছেন- ‘আপনাদের কিছুক্ষণের বিনোদন, আমার ৬৯ বছর বয়সি বাবার হাই প্রেশারের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে’। আপনার বাবার কাছে ‘আমি জুনায়েদ’ নাটকটির কথা পৌঁছুল কীভাবে? জুনায়েদের উত্তর- ‘বাবা প্রতিবেশিদের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। মূলত আশেপাশের মানুষ ভালোর চেয়ে মন্দ বিষয়গুলোকেই প্রচার করে বেশি। আমার বাবা অনেক বন্ধুত্ব পরায়ণ মানুষ। আমার জীবনের ঐ ঘটনার পর আমি যে ঘুরে দাঁড়িয়েছি, এই যে পরিবর্তিত হয়ে যেতে পেরেছি, এতে বাবার ভূমিকা অনেক। ‘আমি জুনায়েদ’ নাটকটি নির্মাণ হওয়ার পর অনেকে আমাকে মেনশন করছে, অতীতকে টেনে সামনে নিয়ে আসছে। এসব বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে আমাকে ও আমার পরিবারকে’।

যা হোক, জুনায়েদের জীবনের ঘটে যাওয়া সেই ঘটনার ছায়া অবলম্বনে নির্মিত নাটক ‘আমি জুনায়েদ’ নাটক সম্পর্কে ফেসবুক স্ট্যাটাসে প্রকৃত জুনায়েদ লিখেছেন-

‘শ্রদ্ধেয়, ইমন ভাইয়া, টয়া আপু, জোভান ভাইয়া, প্রযোজক, পরিচালক ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমি নিজেও আপনাদের ফ্যান, নাটক দেখি আপনাদের এবং যথেষ্ট উপভোগ করি। তবে সম্প্রতি আপনারা যে নাটকটি করছেন ‘আমি জুনায়েদ’ নামে তা আমি জানতে পাই কিছুদিন আগে মানুষের মেনশনের অত্যাচারে। আপনাদের কিছুক্ষণের বিনোদন আমার প্রতিটা নির্ঘুম রাতের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনাদের কিছুক্ষণের বিনোদন, আমার ৬৯ বছর বয়সি বাবার হাই প্রেশারের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। যেখানে আমি নিজেই নিজের আগের রুপটাকে ঘৃণা করি, যেখানে নিজেই সেই স্বত্বাকে নিজ হাতে খুন করে নতুন জীবন শুরু করার চেষ্টা করছি তখনই বার বার বিধাতার অগ্নি পরিক্ষার সম্মুখীন হচ্ছি। তাও ব্যাপার না। শুধু চিন্তা করি আমার বৃদ্ধ বাবার কথা। আপনারা সমাজের বিজ্ঞ নাগরিক আর সেখানে আমি একজন নগন্য যুবক মাত্র। হয়ত এ সমাজের বিষ। কিন্তু তাই বলে আমার পরিবার কেন বারবার কটাক্ষের শিকার হচ্ছে? আমি জানি না এই নগন্য যুবকটার স্ট্যাটাস কজন দেখবেন, তবে যারাই দেখবেন তারা দয়া করে সেই নাটকের কোনো পোস্টে মেনশন করবেন না অন্তত আমার বাবারর কথা চিন্তা করে হলেও।

ভালো থাকবেন।

শুভ রাত্রি’

উল্লেখ্য, আমি জুনায়েদ নাটকটি রচনা করেছেন দয়াল সাহা, পরিচালনা করেছেন মোহন আহমেদ। এতে জুনায়েদ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইমন এবং সাদিয়া চরিত্রে টয়া। নুরুল্লাহ চরিত্রে অভিনয় করেছেন জোভান।

বাম পাশের ছবিতে জুনায়েদ এবং ডান পাশের ছবিতে ‘আমি জুনায়েদ’ নাটকের অভিনয় শিল্পীদ্বয়। ছবি: সংগৃহীত।

ফোন করতেই ওপাশ থেকে ভেসে এলো একটি শীতল কণ্ঠস্বর।  সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা হলো জুনায়েদের। জীবনের একটা সময় একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়ে বসেছিলেন তিনি। সে কথা কারো অজানা নয়। সে জন্য জুনায়েদকে মাশুলও গুণতে হয়েছে অনেক। সেই ঘটনার কথা ভুলে থাকতে চান জুনায়েদ নিজেও। তিনি বর্তমানে একজন পরিবর্তিত মানুষ। নিজেদের গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির কারবার নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। খুব ভালোই চলছিল দিনকাল। কিন্তু এরই মধ্যে তার জীবনে ঘটে যাওয়া ঐ ঘটনার ছায়া অবলম্বনে নির্মিত ‘আমি জুনায়েদ’ নাটকটি তার জীবনে পুনরায় নিয়ে এসেছে অতীতের সেই অপ্রীতিকর ঘটনার অনাকাঙ্ক্ষিত আবহ। ‘আমি জুনায়েদ’ নাটকটি যে জুনায়েদের ঐ ঘটনার ছায়া অবলম্বনেই নির্মিত, সেটি উল্লেখ করেছে একটি বেসরকারি অনলাইন গণমাধ্যম। এ নিয়ে কিছুটা বিব্রত পরিস্থিতিতে রয়েছেন প্রকৃত জুনায়েদ। ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছেন তিনি।

জুনায়েদের বাবার নাম ইমদাদ হোসাইন। জোনায়েদের কাছে প্রশ্ন ছিল, আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের একটি স্ট্যাটাসে আপনি ‘আমি জুনায়েদ’ নাটকে অভিনয় করা অভিনেতা ইমন, জোভান, অভিনেত্রী টয়াসহ উক্ত নাটকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে লিখেছেন- ‘আপনাদের কিছুক্ষণের বিনোদন, আমার ৬৯ বছর বয়সি বাবার হাই প্রেশারের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে’। আপনার বাবার কাছে ‘আমি জুনায়েদ’ নাটকটির কথা পৌঁছুল কীভাবে? জুনায়েদের উত্তর- ‘বাবা প্রতিবেশিদের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। মূলত আশেপাশের মানুষ ভালোর চেয়ে মন্দ বিষয়গুলোকেই প্রচার করে বেশি। আমার বাবা অনেক বন্ধুত্ব পরায়ণ মানুষ। আমার জীবনের ঐ ঘটনার পর আমি যে ঘুরে দাঁড়িয়েছি, এই যে পরিবর্তিত হয়ে যেতে পেরেছি, এতে বাবার ভূমিকা অনেক। ‘আমি জুনায়েদ’ নাটকটি নির্মাণ হওয়ার পর অনেকে আমাকে মেনশন করছে, অতীতকে টেনে সামনে নিয়ে আসছে। এসব বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে আমাকে ও আমার পরিবারকে’।

যা হোক, জুনায়েদের জীবনের ঘটে যাওয়া সেই ঘটনার ছায়া অবলম্বনে নির্মিত নাটক ‘আমি জুনায়েদ’ নাটক সম্পর্কে ফেসবুক স্ট্যাটাসে প্রকৃত জুনায়েদ লিখেছেন-

‘শ্রদ্ধেয়, ইমন ভাইয়া, টয়া আপু, জোভান ভাইয়া, প্রযোজক, পরিচালক ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমি নিজেও আপনাদের ফ্যান, নাটক দেখি আপনাদের এবং যথেষ্ট উপভোগ করি। তবে সম্প্রতি আপনারা যে নাটকটি করছেন ‘আমি জুনায়েদ’ নামে তা আমি জানতে পাই কিছুদিন আগে মানুষের মেনশনের অত্যাচারে। আপনাদের কিছুক্ষণের বিনোদন আমার প্রতিটা নির্ঘুম রাতের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনাদের কিছুক্ষণের বিনোদন, আমার ৬৯ বছর বয়সি বাবার হাই প্রেশারের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। যেখানে আমি নিজেই নিজের আগের রুপটাকে ঘৃণা করি, যেখানে নিজেই সেই স্বত্বাকে নিজ হাতে খুন করে নতুন জীবন শুরু করার চেষ্টা করছি তখনই বার বার বিধাতার অগ্নি পরিক্ষার সম্মুখীন হচ্ছি। তাও ব্যাপার না। শুধু চিন্তা করি আমার বৃদ্ধ বাবার কথা। আপনারা সমাজের বিজ্ঞ নাগরিক আর সেখানে আমি একজন নগন্য যুবক মাত্র। হয়ত এ সমাজের বিষ। কিন্তু তাই বলে আমার পরিবার কেন বারবার কটাক্ষের শিকার হচ্ছে? আমি জানি না এই নগন্য যুবকটার স্ট্যাটাস কজন দেখবেন, তবে যারাই দেখবেন তারা দয়া করে সেই নাটকের কোনো পোস্টে মেনশন করবেন না অন্তত আমার বাবারর কথা চিন্তা করে হলেও।

ভালো থাকবেন।

শুভ রাত্রি’

উল্লেখ্য, আমি জুনায়েদ নাটকটি রচনা করেছেন দয়াল সাহা, পরিচালনা করেছেন মোহন আহমেদ। এতে জুনায়েদ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইমন এবং সাদিয়া চরিত্রে টয়া। নুরুল্লাহ চরিত্রে অভিনয় করেছেন জোভান।

© Copyright 2014-2018, All Rights Reserved ||| Powered By AnyNews24.Com || Developer By Abir-Group

%d bloggers like this:
www.scriptsell.net