জোভানের কান্না, কাঁদায়নি কাউকে?

শাহিল আর তামিম দুই ভাই। কিন্তু শাহিল তামিমকে ‘ভাই’ হিসেবে মেনে নিতে পারে না।

কেননা শাহিলের ভেতর জমে রয়েছে এক ঘৃণার বিষবাষ্প। এদিকে তামিম আবার ভাই বলতে পাগল। ভাইয়ের জন্য নিজের ভালোবাসার মানুষটিকেও উৎসর্গ করতে পারেন। কিন্তু তামিমের ভেতর কেন এই জমে থাকা ঘৃণা?এর আগে পুরো গল্পটা বলতে হবে। এই গল্প এবারের ঈদের নাটক ‘ব্রাদার্স টু’তে ধরেছেন নির্মাতা। এক ঘণ্টার নাটকে অসংখ্যবার দর্শকের চোখে জল আনবে কিন্তু এন্ডিংটা ছিল হ্যাপি এন্ডিং। আমাদের দেশের দর্শকেরা সুখের শেষ সম্ভবত মনে রাখে না, যে কারণে চমৎকার নির্মাণের এই নাটকটি উপেক্ষা করে গেছেন। ব্রাদার্স টু’র বৈশিষ্ঠই ছিল আমাদের মধবিত্ত সমাজের এক টুকরো গল্প। দুই সৎ ভাইয়ের গল্প।

শাহিলের বাবা মারা যাওয়ায় শাহিলের মা বিয়ে করেন তামিমের বাবাকে। কাছেপিঠেই বয়স দু’জনার। তামিম যেমন নরম তেমন কাষ্ঠ প্রকৃতির শাহিল। এভাবেই দুজন বেড়ে ওঠেন। এই নাটকে দুটো টার্নিং পয়েন্ট রয়েছে। প্রথম পয়েন্টে দেখানো হয় শাহিলের মা কিডনি ডিজিজে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। যেদিন রাতে মারা যান সেদিন তাঁর সৎ বাবা বাসার বারান্দায় পায়চারি করেছেন, মায়ের চিৎকারে তিনি বিচলিত হননি কিংবা ডাক্তারের শরণাপন্ন হননি। বিষয়টি লক্ষ্য করেছিলেন ছোট শাহিল। তার মানে দাগ কেটে যায়, জন্মে ঘৃণা। সৎ বাবার প্রতি, সৎ ভাই তামিমের প্রতি।

এই ঘৃণা বিদ্বেষের কারণে শাহিল বরাবরই সৎ বাবাকে অপমান করতো, রাস্তাঘাটে তামিমকে অপমান করতো, এমনকী প্রকাশ্যে জুতাপেটা করতেও চাইতো। কিন্তু তারপরেও বাবা কিংবা তামিম কেউই শাহিলকে কিছু বলতো না। উলটো তামিম তার সাথে ভাই ভাই করে আরো মিশতে চেষ্টা করতো। ভার্সিটি লাইফের একটা অংশে তামিমের সাথে সখ্য তৈরি হওয়া ক্লাসমেট শখকেও শাহিলের জন্য স্যাক্রিফাইস করে।

দ্বিতীয় পয়েন্টে এসে কাহিনি ঘুরে যায়। তামিমের বাবা কিডনি রোগে আক্রান্ত। ডাক্তার বলেন, একটা কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। শাহিল ডাক্তারকে তাচ্ছিল্যের স্বরে বলে আরেকটা কিডনি কোথায়? ডাক্তার বলে আরেকটা কিডনি শাহিলের মা’কেই দেওয়া হয়েছিল। তামিমের ভুল মুহূর্তেই ভেঙে যায়। তার সৎ বাবা তার মায়ের জন্য নিজের একটি কিডনি দিয়েও বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন। অবশ্য শেষ মুহূর্তে শাহিল চেষ্টা করে আর বাঁচাতে পারেন না বাবাকে। এর আগে প্রচণ্ড অনুতপ্ত হন। তবে এন্ডিংটা হ্যাপি ছিল বলতে তামিম আর শাহিল দুই ভাইয়ের সখ্য নতুন করে জমে ওঠে।

তামিমের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জোভান। নাটকে জোভানের কান্না সোশ্যাল মিডিয়াকে কাঁদাতে না পারলেও কাঁদিয়েছে দর্শকদের। শাহিলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সৈয়দ জামান শাওন। শাওনের অভিনয় ছিল অনবদ্য। ফাহাদ আল মুক্তাদিরের গল্পে নাটকটি নির্মাণ করেছেন নির্মাতা বান্না। নাটকটি সোশ্যাল মিডিয়া ইউটিউবে দেখেছেন ৪ লাখ ৫৫ হাজার মানুষ। এটাও কম বড় প্রাপ্তি নয়।   এ বিষয়ে সবচেয়ে বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল মাবরুর রশীদ বান্নাকে। তিনি বলেন, ব্রাদার্স টু নাটকটি খুব বেশি সাড়া ফেলতে পারে নি, তবে এই নাটক থেকে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ৮১৩ টি মন্তব্য। ইউটিউবে এই মন্তব্যের মধ্যে একটি নেগেটিভ নয়, বরঞ্চ হাহাকার, ভালোবাসাময়। এটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

জোভানের কান্না, কাঁদায়নি কাউকে?

শাহিল আর তামিম দুই ভাই। কিন্তু শাহিল তামিমকে ‘ভাই’ হিসেবে মেনে নিতে পারে না।

কেননা শাহিলের ভেতর জমে রয়েছে এক ঘৃণার বিষবাষ্প। এদিকে তামিম আবার ভাই বলতে পাগল। ভাইয়ের জন্য নিজের ভালোবাসার মানুষটিকেও উৎসর্গ করতে পারেন। কিন্তু তামিমের ভেতর কেন এই জমে থাকা ঘৃণা?এর আগে পুরো গল্পটা বলতে হবে। এই গল্প এবারের ঈদের নাটক ‘ব্রাদার্স টু’তে ধরেছেন নির্মাতা। এক ঘণ্টার নাটকে অসংখ্যবার দর্শকের চোখে জল আনবে কিন্তু এন্ডিংটা ছিল হ্যাপি এন্ডিং। আমাদের দেশের দর্শকেরা সুখের শেষ সম্ভবত মনে রাখে না, যে কারণে চমৎকার নির্মাণের এই নাটকটি উপেক্ষা করে গেছেন। ব্রাদার্স টু’র বৈশিষ্ঠই ছিল আমাদের মধবিত্ত সমাজের এক টুকরো গল্প। দুই সৎ ভাইয়ের গল্প।

শাহিলের বাবা মারা যাওয়ায় শাহিলের মা বিয়ে করেন তামিমের বাবাকে। কাছেপিঠেই বয়স দু’জনার। তামিম যেমন নরম তেমন কাষ্ঠ প্রকৃতির শাহিল। এভাবেই দুজন বেড়ে ওঠেন। এই নাটকে দুটো টার্নিং পয়েন্ট রয়েছে। প্রথম পয়েন্টে দেখানো হয় শাহিলের মা কিডনি ডিজিজে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। যেদিন রাতে মারা যান সেদিন তাঁর সৎ বাবা বাসার বারান্দায় পায়চারি করেছেন, মায়ের চিৎকারে তিনি বিচলিত হননি কিংবা ডাক্তারের শরণাপন্ন হননি। বিষয়টি লক্ষ্য করেছিলেন ছোট শাহিল। তার মানে দাগ কেটে যায়, জন্মে ঘৃণা। সৎ বাবার প্রতি, সৎ ভাই তামিমের প্রতি।

এই ঘৃণা বিদ্বেষের কারণে শাহিল বরাবরই সৎ বাবাকে অপমান করতো, রাস্তাঘাটে তামিমকে অপমান করতো, এমনকী প্রকাশ্যে জুতাপেটা করতেও চাইতো। কিন্তু তারপরেও বাবা কিংবা তামিম কেউই শাহিলকে কিছু বলতো না। উলটো তামিম তার সাথে ভাই ভাই করে আরো মিশতে চেষ্টা করতো। ভার্সিটি লাইফের একটা অংশে তামিমের সাথে সখ্য তৈরি হওয়া ক্লাসমেট শখকেও শাহিলের জন্য স্যাক্রিফাইস করে।

দ্বিতীয় পয়েন্টে এসে কাহিনি ঘুরে যায়। তামিমের বাবা কিডনি রোগে আক্রান্ত। ডাক্তার বলেন, একটা কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। শাহিল ডাক্তারকে তাচ্ছিল্যের স্বরে বলে আরেকটা কিডনি কোথায়? ডাক্তার বলে আরেকটা কিডনি শাহিলের মা’কেই দেওয়া হয়েছিল। তামিমের ভুল মুহূর্তেই ভেঙে যায়। তার সৎ বাবা তার মায়ের জন্য নিজের একটি কিডনি দিয়েও বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন। অবশ্য শেষ মুহূর্তে শাহিল চেষ্টা করে আর বাঁচাতে পারেন না বাবাকে। এর আগে প্রচণ্ড অনুতপ্ত হন। তবে এন্ডিংটা হ্যাপি ছিল বলতে তামিম আর শাহিল দুই ভাইয়ের সখ্য নতুন করে জমে ওঠে।

তামিমের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জোভান। নাটকে জোভানের কান্না সোশ্যাল মিডিয়াকে কাঁদাতে না পারলেও কাঁদিয়েছে দর্শকদের। শাহিলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সৈয়দ জামান শাওন। শাওনের অভিনয় ছিল অনবদ্য। ফাহাদ আল মুক্তাদিরের গল্পে নাটকটি নির্মাণ করেছেন নির্মাতা বান্না। নাটকটি সোশ্যাল মিডিয়া ইউটিউবে দেখেছেন ৪ লাখ ৫৫ হাজার মানুষ। এটাও কম বড় প্রাপ্তি নয়।   এ বিষয়ে সবচেয়ে বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল মাবরুর রশীদ বান্নাকে। তিনি বলেন, ব্রাদার্স টু নাটকটি খুব বেশি সাড়া ফেলতে পারে নি, তবে এই নাটক থেকে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ৮১৩ টি মন্তব্য। ইউটিউবে এই মন্তব্যের মধ্যে একটি নেগেটিভ নয়, বরঞ্চ হাহাকার, ভালোবাসাময়। এটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

© Copyright 2014-2018, All Rights Reserved ||| Powered By AnyNews24.Com || Developer By Abir-Group

%d bloggers like this:
www.scriptsell.net