জানেন কত ধরণের বক্ষবন্ধনী হয়? সঙ্গে এই তথ্যগুলিও জেনে নিন

বক্ষবন্ধনী বা ব্রা’কে যৌনতার প্রতীক মনে করা হয়। সুন্দর, উঁচু ও ভরাট বক্ষের অধিকারী হওয়ার স্বপ্ন দেখেন প্রায় সব নারীই। নইলে যেন নারীত্বে কোথাও খামতি রয়ে যায়। যদিও এর পক্ষে -বিপক্ষে তর্ক চলবেই। বিশ্বের কোটি কোটি নারী তাদের শরীরকে আরো আকর্ষণীয় দেখাতে যে অন্তর্বাস বা বক্ষবন্ধনী ব্যবহার করেন তার পেটেন্ট নথিভুক্ত করা হয় আজ থেকে ১০০ বছর আগে। ১৯১৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি৷ ব্রা-এর জনক(এখানে জানকী) হলেন মেরি ফেল্পস জেকব। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্রা এর চেহারা, সাইজ, রং, ডিজাইন অনেক কিছুই বদলেছে।

স্তনযুগলকে স্বাস্থ্যসম্মত ও শেপ-এ রাখতে উপযুক্ত অন্তর্বাস ব্যবহার করা উচিৎ। অন্তর্বাস বলে কখনই যেন অবহেলা করে কম দামের বা অপরিচ্ছন্ন ব্রা ব্যবহার করবেন না। একঝলকে জেনে নিন বক্ষের যত্ন নিতে ঠিক কেমন ব্রা ব্যবহার করা উচিৎ।

পুশ-আপ ব্রা

মূলত টিন এজাররা ভিতরে ফোম দেওয়া ব্রা বা পুশ-আপ ব্রা ব্যবহার করে। সারাদিন যে ব্রা গায়ের সঙ্গে সেঁটে থাকে তা কতটা স্বাস্থ্যসম্মত তা জেনে নেওয়া দরকার অবশ্যই। অনেক স্পোর্টস ওয়েমেনরাও এই ধরণের ব্রা ব্যবহার করেন।

বক্ষবন্ধনী নির্বাচন

বক্ষকে বেঁধে রাখতে বাজারে অনেক রকমের বক্ষবন্ধনী পাওয়া যায়৷ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো শুধু মিষ্টি রং, সুন্দর ডিজাইন আর কম দাম দেখে নয়, স্বাস্থ্যের জন্য সেটা কতটা উপযোগী অর্থাৎ কাপড়ের মানও দেখা প্রয়োজন৷ তাছাড়া কিছু ব্রা’তে স্তনের আকার আরও সুন্দর করতে ব্রা’র কিনারায় গোল করে স্টিল বা ধাতব পাত লাগানো হয়। এগুলো শরীরের জন্য ক্ষতি বা অ্যালার্জির কারণ হতে পারে কী না, সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। ব্রা কেনার সময় দেখে নিন সেই হুক লাগানোর অনেকগুলো ঘর আছে কিনা। যে ব্রা-গুলিতে হুক লাগানোর জন্য একাধিক ঘর আছে সেগুলো কেনাই ভালো।

স্বাস্থ্যের দিকে নজর

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, যাদের স্তনযুগল অনেক বড়, তারা এক-দুই সাইজ ছোট বা খুব আঁটসাঁট ‘ব্রা’ পরেন, যা একদমই ঠিক নয়। কারণ এটা দেখতে যেমন ভালো লাগে না, তেমনি স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর৷ তাছাড়া বেশি আঁটসাঁট ‘ব্রা’ পরলে শ্বাসকষ্টও হয় অনেকের। পাইরেটস অফ দ্য ক্যারিবিয়ান-এর সেই দৃশ্যটা মনে আছে তো? তাই বেশি বড় বা বেশি ছোট কোনটাই ঠিক নয়। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। বেশি টাইট ব্রা-কে স্তন ক্যান্সারের জন্য দায়ী মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ভয়াল ক্যান্সার হতে নিজেকে দূরে রাখার জন্য সঠিক মাপের ব্রা পরিধান জরুরি। তাই আন্দাজে ব্রা কিনতে যাবেন না।

কোথায় কোন ব্রা
ব্যাকলেস পোশাক নির্বাচন করলে এমন ব্রা পরুন যার স্ট্র্যাপ ট্রান্সপারেন্ট। পার্টিতে বা ডিস্কে ট্রান্সপারেন্ট ব্রা পরার মত আত্মবিশ্বাস আপনার আছে কী না খতিয়ে দেখুন। দামি ব্র্যান্ডের ব্রা-ই ব্যবহার করুন।

শরীরের শেপ-ওজন অনুযায়ী ব্রা

ওজন বাড়লে বা কমলে ব্রা-ও বদলে নিতে হবে। ভারী শরীর ও রোগাটে শরীরের জন্য ব্রায়ের মাপ আলাদা হবে।

এক ব্রা একাধিক দিন নয়

একসঙ্গে একাধিক ব্রা কিনুন। ব্রা ভালো রাখতে হলে এবং সঠিক মাপে রেখে দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে হলে একই ব্রা সপ্তাহে দু’দিনের বেশি পরবেন না। সম্ভব হলে একদিনই পরুন। ইলাস্টিককে কয়েকদিন বিশ্রাম দিলে এর ইলাস্টিসিটি আবার আগের মত হয়ে যায় কিছুটা। তাই ব্রা কেনার সময় এক সঙ্গে একাধিক কিনুন, যেন বদলে বদলে পরা যায়।

জানেন কত ধরণের বক্ষবন্ধনী হয়? সঙ্গে এই তথ্যগুলিও জেনে নিন

বক্ষবন্ধনী বা ব্রা’কে যৌনতার প্রতীক মনে করা হয়। সুন্দর, উঁচু ও ভরাট বক্ষের অধিকারী হওয়ার স্বপ্ন দেখেন প্রায় সব নারীই। নইলে যেন নারীত্বে কোথাও খামতি রয়ে যায়। যদিও এর পক্ষে -বিপক্ষে তর্ক চলবেই। বিশ্বের কোটি কোটি নারী তাদের শরীরকে আরো আকর্ষণীয় দেখাতে যে অন্তর্বাস বা বক্ষবন্ধনী ব্যবহার করেন তার পেটেন্ট নথিভুক্ত করা হয় আজ থেকে ১০০ বছর আগে। ১৯১৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি৷ ব্রা-এর জনক(এখানে জানকী) হলেন মেরি ফেল্পস জেকব। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্রা এর চেহারা, সাইজ, রং, ডিজাইন অনেক কিছুই বদলেছে।

স্তনযুগলকে স্বাস্থ্যসম্মত ও শেপ-এ রাখতে উপযুক্ত অন্তর্বাস ব্যবহার করা উচিৎ। অন্তর্বাস বলে কখনই যেন অবহেলা করে কম দামের বা অপরিচ্ছন্ন ব্রা ব্যবহার করবেন না। একঝলকে জেনে নিন বক্ষের যত্ন নিতে ঠিক কেমন ব্রা ব্যবহার করা উচিৎ।

পুশ-আপ ব্রা

মূলত টিন এজাররা ভিতরে ফোম দেওয়া ব্রা বা পুশ-আপ ব্রা ব্যবহার করে। সারাদিন যে ব্রা গায়ের সঙ্গে সেঁটে থাকে তা কতটা স্বাস্থ্যসম্মত তা জেনে নেওয়া দরকার অবশ্যই। অনেক স্পোর্টস ওয়েমেনরাও এই ধরণের ব্রা ব্যবহার করেন।

বক্ষবন্ধনী নির্বাচন

বক্ষকে বেঁধে রাখতে বাজারে অনেক রকমের বক্ষবন্ধনী পাওয়া যায়৷ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো শুধু মিষ্টি রং, সুন্দর ডিজাইন আর কম দাম দেখে নয়, স্বাস্থ্যের জন্য সেটা কতটা উপযোগী অর্থাৎ কাপড়ের মানও দেখা প্রয়োজন৷ তাছাড়া কিছু ব্রা’তে স্তনের আকার আরও সুন্দর করতে ব্রা’র কিনারায় গোল করে স্টিল বা ধাতব পাত লাগানো হয়। এগুলো শরীরের জন্য ক্ষতি বা অ্যালার্জির কারণ হতে পারে কী না, সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। ব্রা কেনার সময় দেখে নিন সেই হুক লাগানোর অনেকগুলো ঘর আছে কিনা। যে ব্রা-গুলিতে হুক লাগানোর জন্য একাধিক ঘর আছে সেগুলো কেনাই ভালো।

স্বাস্থ্যের দিকে নজর

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, যাদের স্তনযুগল অনেক বড়, তারা এক-দুই সাইজ ছোট বা খুব আঁটসাঁট ‘ব্রা’ পরেন, যা একদমই ঠিক নয়। কারণ এটা দেখতে যেমন ভালো লাগে না, তেমনি স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর৷ তাছাড়া বেশি আঁটসাঁট ‘ব্রা’ পরলে শ্বাসকষ্টও হয় অনেকের। পাইরেটস অফ দ্য ক্যারিবিয়ান-এর সেই দৃশ্যটা মনে আছে তো? তাই বেশি বড় বা বেশি ছোট কোনটাই ঠিক নয়। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। বেশি টাইট ব্রা-কে স্তন ক্যান্সারের জন্য দায়ী মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ভয়াল ক্যান্সার হতে নিজেকে দূরে রাখার জন্য সঠিক মাপের ব্রা পরিধান জরুরি। তাই আন্দাজে ব্রা কিনতে যাবেন না।

কোথায় কোন ব্রা
ব্যাকলেস পোশাক নির্বাচন করলে এমন ব্রা পরুন যার স্ট্র্যাপ ট্রান্সপারেন্ট। পার্টিতে বা ডিস্কে ট্রান্সপারেন্ট ব্রা পরার মত আত্মবিশ্বাস আপনার আছে কী না খতিয়ে দেখুন। দামি ব্র্যান্ডের ব্রা-ই ব্যবহার করুন।

শরীরের শেপ-ওজন অনুযায়ী ব্রা

ওজন বাড়লে বা কমলে ব্রা-ও বদলে নিতে হবে। ভারী শরীর ও রোগাটে শরীরের জন্য ব্রায়ের মাপ আলাদা হবে।

এক ব্রা একাধিক দিন নয়

একসঙ্গে একাধিক ব্রা কিনুন। ব্রা ভালো রাখতে হলে এবং সঠিক মাপে রেখে দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে হলে একই ব্রা সপ্তাহে দু’দিনের বেশি পরবেন না। সম্ভব হলে একদিনই পরুন। ইলাস্টিককে কয়েকদিন বিশ্রাম দিলে এর ইলাস্টিসিটি আবার আগের মত হয়ে যায় কিছুটা। তাই ব্রা কেনার সময় এক সঙ্গে একাধিক কিনুন, যেন বদলে বদলে পরা যায়।

Leave a Reply

© Copyright 2014-2018, All Rights Reserved ||| Powered By AnyNews24.Com || Developer By Abir-Group

%d bloggers like this:
www.scriptsell.net