সেক্স ডল। ছবি: সংগৃহীত।

 পশ্চিমা দেশগুলোতে সেক্স ডলের চাহিদা দিন কে দিন বেড়েই চলেছে। প্রকাশ্যে কেনাবেচা ও ব্যবহার সেই দেশগুলোতে নতুন নয়। বিশেষ করে নিঃসঙ্গ পুরুষেরাই সেক্স ডল বেশি ব্যবহার করেন। সেক্স ডল জিনিসটা শারীরিক চাহিদা মেটাতে সক্ষম হলেও এটি একটি রোবট ছাড়া কিছুই নয়। কিন্তু এই রোবট ডল অতিরিক্ত কাস্টমার দেখে কেঁদে ফেলল সবার সামনে।

অবিশ্বাস্য শোনালেও এমনটিই ঘটেছে অস্ট্রেলিয়ায়। মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, তিন হাজার পাউন্ডের সেক্স ডল বিক্রির জন্য মেলার আয়োজন করা হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ায়। ক্রেতাদের ডেকে সেক্স ডলকে নিয়ে দর হাঁকাহাঁকি চলছিল ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে। নিজেদের যৌন চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ক্রেতারাও চুলচেড়া বিশ্লেষণও করছিলেন। এরই মধ্যে সবাইকে অবাক করে দিয়ে কান্না শুরু করে সেক্স ডলটি।

সেক্স ডল। ছবি: সংগৃহীত।

মানুষের আধুনিক যৌনাচারে অন্যতম বড় সামগ্রী হয়ে উঠেছে সেক্স ডল। চাহিদা মেটাতে পুরুষদের রাতদিনের সঙ্গিনী হয়ে উঠছে এই রোবট। কিন্তু অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে গিয়ে মেয়ে মানুষের মতো কোনো রোবট কাঁদবে, এটা হতেই পারে না। অনেকেই বলছেন, সবটাই চোখের ভুল, অথবা প্রযুক্তি বিভ্রাট।

এদিকে সেক্স ডলের কান্নার ছবিও ধরা পড়ে ক্যামেরায়ও। পুতুলের কান্না দেখে রীতিমত চমকে যান ক্রেতারাও। ক্রেতাদের দাবি, ‘আমি যখন সেক্স ডলের কাছে গেলাম, দেখি পুতুলটি আমাকে কিছু একটা বলতে চাইছে। পরে পরীক্ষা করে দেখলাম, কাঁদছে পুতুলটি।’

সূত্র: ডেইলি মেইল

সেক্স ডল। ছবি: সংগৃহীত।

 পশ্চিমা দেশগুলোতে সেক্স ডলের চাহিদা দিন কে দিন বেড়েই চলেছে। প্রকাশ্যে কেনাবেচা ও ব্যবহার সেই দেশগুলোতে নতুন নয়। বিশেষ করে নিঃসঙ্গ পুরুষেরাই সেক্স ডল বেশি ব্যবহার করেন। সেক্স ডল জিনিসটা শারীরিক চাহিদা মেটাতে সক্ষম হলেও এটি একটি রোবট ছাড়া কিছুই নয়। কিন্তু এই রোবট ডল অতিরিক্ত কাস্টমার দেখে কেঁদে ফেলল সবার সামনে।

অবিশ্বাস্য শোনালেও এমনটিই ঘটেছে অস্ট্রেলিয়ায়। মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, তিন হাজার পাউন্ডের সেক্স ডল বিক্রির জন্য মেলার আয়োজন করা হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ায়। ক্রেতাদের ডেকে সেক্স ডলকে নিয়ে দর হাঁকাহাঁকি চলছিল ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে। নিজেদের যৌন চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ক্রেতারাও চুলচেড়া বিশ্লেষণও করছিলেন। এরই মধ্যে সবাইকে অবাক করে দিয়ে কান্না শুরু করে সেক্স ডলটি।

সেক্স ডল। ছবি: সংগৃহীত।

মানুষের আধুনিক যৌনাচারে অন্যতম বড় সামগ্রী হয়ে উঠেছে সেক্স ডল। চাহিদা মেটাতে পুরুষদের রাতদিনের সঙ্গিনী হয়ে উঠছে এই রোবট। কিন্তু অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে গিয়ে মেয়ে মানুষের মতো কোনো রোবট কাঁদবে, এটা হতেই পারে না। অনেকেই বলছেন, সবটাই চোখের ভুল, অথবা প্রযুক্তি বিভ্রাট।

এদিকে সেক্স ডলের কান্নার ছবিও ধরা পড়ে ক্যামেরায়ও। পুতুলের কান্না দেখে রীতিমত চমকে যান ক্রেতারাও। ক্রেতাদের দাবি, ‘আমি যখন সেক্স ডলের কাছে গেলাম, দেখি পুতুলটি আমাকে কিছু একটা বলতে চাইছে। পরে পরীক্ষা করে দেখলাম, কাঁদছে পুতুলটি।’

সূত্র: ডেইলি মেইল

© Copyright 2014-2018, All Rights Reserved ||| Powered By AnyNews24.Com || Developer By Abir-Group

%d bloggers like this:
www.scriptsell.net